নজরবন্দি ব্যুরোঃ ২২ থেকে ২৪ মে অবধি শ্রীনগরে জি২০ এর পর্যটন সংক্রান্ত কার্যকরী গোষ্ঠীর বৈঠক হওয়ার কথা। তার আগে বড়সড় হামলার ঘটনা উপত্যকায়। বৃহস্পতিবার পুঞ্চ জেলার রাজৌরি সেক্টরে নিরাপত্তাবাহিনীর ট্রাকে গুলি ও পরে গ্রেনেড হামলা হয়। ঘটনায় ৫ জন জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। সেই ঘটনার পর থেকেই এলাকাজুড়ে শুরু হয়েছে তল্লাশি অভিযান। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, পাক জঙ্গিগোষ্ঠী জইশ-ই-মহম্মদ এই হামলা চালিয়েছে। শ্রীনগরে জঙ্গি হামলার তদন্তে এনআইএ।
আরও পড়ুনঃ SSC-TET Scam: শাহজাহান মোল্লাকে তলব করল সিবিআই, ভাঙড়ের পোড়া তথ্য থেকে অমূল্য রতনের খোঁজ


সূত্রের খবর, ঘটনায় একাধিক সন্ত্রাসবাদীরা যুক্ত হাকার সন্দেহ করা হচ্ছে। সূত্র মারফত জানা গেছে, চারদিক থেকে ঘিরে ওই ট্রাকের ওপর কয়েক ডজন গুলি চালানো হয়। সেনা সূত্রে খবর, ওই ৫ জন জওয়ান রাষ্ট্রীয় রাইফেল ইউনিটের ছিল। গ্রেনেড হামলার পর ট্রাকে আগুন লেগে যায়। বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই ঘটনার সময় তীব্র বৃষ্টি হচ্ছিল। ফলে, দৃশ্যমানতা কমে যায়। সেই সুযোগে জঙ্গিরা সেনার গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি এবং ছোড়ে।

কিছু দিন আগেই রাজৌরিতে হিন্দুদের ওপর হামলা চলে। ঘটনায় ৭ জনের মৃত্যু হয়। আহত হন প্রায় ১২ জন। তারপর থেকে এলাকায় সন্ত্রাসবাদীদের দাপট যেন বেড়েই চলেছে। আরও বড়সড় কোনও ছক রয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। তাই গোটা এলাকায় শুরু হয়েছে তল্লাশি অভিযান। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে জম্মু থেকে রওনা দিয়েছে জঙ্গি দমন শাখার একটি বিভাগ। উপস্থিত হচ্ছে ফরেন্সিক দল।
শ্রীনগরে জঙ্গি হামলার তদন্তে এনআইএ, নজরে কারা?

শহিদ জওয়ানদের মধ্যে চার জন পাঞ্জাবের এবং একজন ওড়িশার বলে জানা গেছে। তাঁদের নাম, হাবিলদার মনদীপ সিং, লান্স নায়েক দেবশীষ বাসওয়াল, লান্স নায়েক কুলওয়ান্ত সিং, সেপোয়ি হরিকৃষ্ণ সিং এবং সেপোয়ি সেবক সিং। ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছে জম্মু-কাশ্মীরের সমস্ত রাজনৈতিক দল।









