নজরবন্দি ব্যুরোঃ ইতিমধ্যেই কর্নাটক ও নয়াদিল্লিতে রক্তচক্ষু দেখিয়েছে নয়া ভাইরাস ওমিক্রন। তাতেই নড়ে গিয়েছে দেশের স্বাস্থ্যের পরিকাঠামোর পিলার। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে নয়া গাইডলাইন জারি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। রীতিমতো চিঠি দিয়ে সতর্ক করা হয়েছে রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে। এই চিঠি পাওয়ার পরই কড়া পদক্ষেপ করল নবান্ন।
আরও পড়ুনঃ দেশে ওমিক্রন আক্রান্ত দু’জনের হদিশ! এক নজরে দেখে নিন দেশের করোনা পরিস্থিতি


নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, ঝুঁকিপূর্ণ দেশ থেকে আসা যাত্রীদের আরটিপিসিআর টেস্ট বাধ্যতামূলক। সেই সঙ্গে রিপোর্ট নেগেটিভ এলেও সাত দিনের কোয়ারেন্টাইন বাধ্যতামূলক। রিপোর্ট পজিটিভ এলে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে আক্রান্তদের আইসোলেশনে রাখা হবে। রিপোর্ট যদি নেগেটিভও আসে, সেক্ষেত্রেও সাত দিন থাকতে হবে আইসোলেশনে।

উল্লেখ্য শুক্রবারই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণ প্রতিটি রাজ্যকে চিঠি দেন। টেস্টের মাত্রা বাড়ানোর পাশাপাশি বাড়িয়ে ক্লাস্টার অথবা হটস্পট এলাকা চিহ্নিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চিঠি পাওয়ার পর নবান্নে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, স্বাস্থ্য অধিকর্তা এবং জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী।
ভাইরাস ওমিক্রন নিয়ে নয়া নির্দেশিকা নবান্নের, কি কি নিয়ম মানতে হবে?
সেখানেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের উপর পরীক্ষা করতেই হবে। এমনকী যেসব ঝুঁকিপূর্ণ দেশ আছে সেখান থেকে আসা যাত্রীদের অবশ্যই আরটি–পিসিআর পরীক্ষা করাতে হবে। রিপোর্ট পজিটিভি এলেই সঙ্গে সঙ্গে কলকাতা আইডি হাসপাতালে ভর্তি করা হবে। আর নেগেটিভ এলে যাত্রীদের ৭ দিন আইসোলেশনে থাকতে হবে।









