নজরবন্দি ব্যুরোঃ আজ দিনভোর দুর্যোগ চলবে বাংলায়। প্রত্যাশিত ভাবেই বাংলায় সেভাবে প্রভাব ফেলতে পারেনি ঘুর্ণিঝড় গুলাব। কিন্তু অপেক্ষা ছিল আরও একটি ঘুর্ণাবর্তের। সেই ঘুর্ণাবর্তই বিপুল বেগে এগিয়ে আসছে রাজ্যের অভিমুখে। মায়ানমার থেকে বাংলার দিকে ধেয়ে আসছে ঘুর্ণাবর্ত। আর ২ ঘণ্টার মধ্যেই যার প্রভাবে ব্যাপক দুর্যোগ শুরু হবে বাংলার উপকূলবর্তী এলাকায়। ইতিমধ্যেই দিঘায় মোতায়েন করা হয়েছেন NDRF -র টিম। রয়েছে অনেক পুলিশ। বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে পর্যটকদের।
আরও পড়ুনঃ একধাক্কায় অর্ধেক কমে গেল করোনা সংক্রমণ, নজিরবিহীন ঘটনা রাজ্যে।


আজ বজ্র বিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে আবহাওয়া দফতরের তরফে। কদিন ধরে টানা বৃষ্টির পর কদিন আবহাওয়া ভাল থাকলেও অবিরাম বর্ষণে জলমগ্ন কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকা। সাথে প্লাবিত একাধিক জেলা। ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে লাখো মানুষের। একাধিক মৃত্যু হয়েছে বিদ্যুৎষ্পৃষ্ট হয়ে। সব মিলিয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি রয়েছে বাংলায়। একে এই অবস্থা তার উপর যদি আবার টানা বৃষ্টি শুরু হয় তাহলে কি হবে তা ভেবেই আতঙ্কিত আমজনতা।
আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে, ২ মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। সাথে কলকাতাতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উঃ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়াতেও ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বুধবারও, বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণবঙ্গে। ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ায়। সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায় ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা হওয়া বইতে পারে।
দিঘায় মোতায়েন NDRF, বাড়ি পাঠানো হল পর্যটকদের। কিছুক্ষন পরেই শুরু দুর্যোগ।

উল্লেখ্য, আগস্ট মাসে লোকসভায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে মৃত্যুর পরিসংখ্যান পেশ করেছে কেন্দ্র। তাতে দেখা যাচ্ছে মাত্র তিন বছরেই ৬ হাজার ৮১১ জন। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল এই পরিসংখ্যানে দেশের মধ্যে শীর্ষ স্থানে রয়েছে আমাদের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ। গত ৩ বছরে শুধু পশ্চিমবঙ্গেই প্রাকৃতিক দুর্যোগে মৃত্যুর শিকার হয়েছেন ৯৬৪ জন। আর এবার ঘনিয়ে আসছে আরও এক ঘুর্নিঝড়। দেখুন কোথায় সে – এখানে ক্লিক করুন।









