কৃষকদের ব্যাঙ্কে সরাসরি টাকা দিতে রাজ্যের সাহায্য চেয়ে মমতাকে চিঠি তোমরের।

কৃষকদের ব্যাঙ্কে সরাসরি টাকা দিতে রাজ্যের সাহায্য চেয়ে মমতাকে চিঠি তোমরের।

নজরবন্দি ব্যুরো: রাজ‌্য সরকার সাহায্য করলেই সরাসরি প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধির টাকা পেতে পারেন বাংলার সাধারণ কৃষকরা। বাংলার মুখ‌্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়ে এমনটাই জানালেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর । এই প্রকল্পে দু’একরের কম জমি যাঁদের রয়েছে, সেই কৃষকরা বছরে তিনটি কিস্তিতে দু’হাজার টাকা করে মোট ছ’হাজার টাকা পান।

আরও পড়ুন: অসংখ্য শয্যাসঙ্গী থেকে প্রিয়াঙ্কার একাধিক তথ্য ঘোরাচ্ছে জুনিয়র মৃধা খুনের মোড়।

সম্প্রতি এই প্রকল্পের নতুন করে ন’কোটি কৃষকের জন‌্য ১৮ হাজার কোটি টাকা বন্টন করেছে কেন্দ্র। যদিও ‘কৃষকবন্ধু’ নামে নিজস্ব আলাদা প্রকল্প থাকায় এতদিন এই সুবিধা পাচ্ছিলেন না ছিলেন বাংলার কৃষকরা। রাজ্যের প্রকল্পে একরপিছু আড়াই হাজার টাকা করে দু’টি কিস্তিতে বছরে পাঁচ হাজার টাকা পান কৃষকরা। আর এই কৃষক স্বার্থে সোমবারই মুখ‌্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রের প্রকল্প চালুর অনুমতি দেন। এবার শোনা যাচ্ছে, বাংলার প্রায় ২১ লাখ কৃষক কেন্দ্রের প্রকল্পের অনুদান চেয়ে আবেদন করেছেন।

এদিন মুখ‌্যমন্ত্রীকে যে চিঠি দিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী, তাতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, রাজ‌্য সহযোগিতা করলেই কৃষকদের ব্যাংক অ‌্যাকাউন্টে সরাসরি ঢুকে যাবে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা। অর্থাৎ, আরও একবার স্পষ্ট করে দেওয়া হল যে, কিছুতেই রাজ‌্য মারফত টাকা দেওয়া হবে না। বরং রাজ‌্য যত তাড়াতাড়ি আবেদনকারীদের নামের তালিকা যাচাই করে কেন্দ্রের কাছে পাঠিয়ে দেবে, তত তাড়াতাড়ি কৃষকদের অ‌্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়ে দেবে কেন্দ্র।

কৃষকদের ব্যাঙ্কে সরাসরি টাকা দিতে রাজ্যের সাহায্য চেয়ে মমতাকে চিঠি তোমরের, প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই রাজ্যে এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বাংলায় এই প্রকল্প চালু না করায় রাজ্য সরকারকে এক হাত নেন। তাঁর অভিযোগ, সংকীর্ণ রাজনীতির স্বার্থে রাজ্যের কৃষকদের বঞ্চিত করছেন মুখ্যমন্ত্রী। শুধু কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নন, রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ও একইভাবে কেন্দ্রের প্রকল্প চালু না হওয়ায় রাজ্য সরকারের সমালোচনা করেছেন। তাঁর অভিযোগ, মমতা সরকারের অনড় মনোভাবের জন্য রাজ্যের ৭০ লক্ষ কৃষক বঞ্চিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x