অসংখ্য শয্যাসঙ্গী থেকে প্রিয়াঙ্কার একাধিক তথ্য ঘোরাচ্ছে জুনিয়র মৃধা খুনের মোড়।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ জুনিয়র মৃধা খুনের তদন্তে একে একে উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।একে একে মোড় ঘুরছে অন্যদিকে। জুনিয়র মৃধা খুনের জন্য গত সোমবার তাঁর বান্ধবী প্রিয়াঙ্কাকে গ্রেপ্তার করেন পুলিশ। প্রিয়াঙ্কার সাথে মৃধার পরিচয় ২০০৮এ। তারপর সেখান থেকে ঘনিষ্ঠতা।দিয়ে হঠাত করে কী এম্ন হল যে সম্পর্কে ফাটল। কে এই প্রিয়াঙ্কা? কিসের পরিচয় তাঁর? মডেল প্রিয়াঙ্কা তখনও ছিলেন মোহোনবাগান কর্তা বলরাম চৌধুরীর বউমা। সম্পর্ক গোপোন করে ছিলেন মৃধার সাথে।

আরও পড়ুনঃ শীতের দোসর পশ্চিমী ঝঞ্ঝা, ভরা পৌষেও বাঁধা উত্তুরে হাওয়া

মৃধা পরিবার তাঁকে মেনে নিয়েছিলেন পুত্রবধু হিসেবে। কিন্তু সত্যি সামনে আসে প্রায় তিন বছর পর ২০১১তে। ২০১১ এর একটি রিয়ালিটি শো তে তিনি যান, এবং সেখানে তাঁকে দেখা যায় শাখা সিঁদুর পরে। সিবিআই মনে করছে সেখান থেকেই চিঁড় ধরে সম্পর্কে। সিবিআই জানতে পেরেছে যেদিন উদ্ধার হয় জুনিয়র মৃধার দেহ, সেদিন প্রিয়াঙ্কা মোট ১২ বার ফোন করেছিলেন, এদিকে ওই দিনেই প্রায় ২০০ বার প্রিয়াঙ্কা ফোন করেন টলিউডেরে এক প্রযোজককে।

বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়ের এয়ারপোর্ট গামী লেনে উদ্ধার হয় জুনিয়রের দেহ। রক্ত ও থেঁতলে যাওয়া মৃধার দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু বলে মনে করলেও ময়না তদন্তে পরের দিনই জানা জায় গাড়ি থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলা হয়েছিল সেদিন। তাতেই থেঁতলে গিয়ে মৃত্যু হয় মৃধার। তার আগে তাঁকে গুলিও করা হয়েছিল বলে জানা গেছে।

এই খুনের ঘটনায় রাজ্য জুড়ে তৈরি হয় চাঞ্চল্য। মৃধার পরিবার সিআইডির দ্বারস্থ হলে কদিন পরে বদলে যায় সিআইডির অফিসার। এরপর বাধ্য হয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। সেখান থেকে নতুন ভাবে আবার ওপেন হয় জুনিয়র মৃধার কেস। এখান থেকেই সামনে আসে প্রিয়াঙ্কার পরিচয়।

তদন্তের স্বার্থে মৃধার পরিবার জানায় অরকুটে পরিচয় হওয়া এক বান্ধবীর কথা। তারপর তদন্ত। এবং তদন্তের পর উঠে আসে প্রিয়াঙ্কার নাম। তাঁকে দফায় দফায় জেরা করলে পাওয়া যায় নানা তথ্য। জানা যায় একসময়ে একাধিক প্রজোজকের শয্যাসঙ্গী ছিলেন তিনি।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

সদ্য প্রকাশিত

এই ক্যাটেগরির আরও খবর