নজরবন্দি ব্যুরোঃ পুলিশের ঘেরাটোপে উত্তরপ্রদেশের গ্যাংস্টার আতিক আহমেদ এবং তাঁর ভাই আশরাফকে খুন। উপস্থিত ছিল সংবাদমাধ্যম। ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেফতার হয়েছে তিন অভিযুক্ত লাভলেশ তিওয়ারি, সানি এবং অরুণ মৌর্য। তাঁদেরকে জেরা করে চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে পেয়েছে সিবিআই। ধৃতরা পুলিশের কাছে জানিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের সবথেকে বড় মাফিয়া হয়ে ওঠাই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য ছিল। এমন কাউকে তাঁরা খুব করতে চেয়েছিল, যাতে সরাসরি মানুষের নজরে আসা যায়। সেকারণেই আতিককে টার্গেট করেছিল তাঁরা।
আরও পড়ুনঃ CBI-এর হাতে গ্রেফতার মুখ্যমন্ত্রীর কাকা, তোলপাড় রাজনৈতিক মহলে


পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার পরেই তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গুলি করে মারার পর তিন জনেই আত্মসমর্পণ করে। সূত্রে খবর, তিন জনের বিরুদ্ধে আগে থেকেই খুন ডাকাতি এবং অপহরণের মতো অভিযোগ ছিল। তাঁদের পরিবারের বক্তব্য, তাঁদের বিরুদ্ধে কিছুই করার ছিল না। জানা গেছে, এদের মধ্যে লাভলেশ আগেই জেল খেটেছে। ঘটনার পাঁচ থেকে ছয় দিন আগেই বাড়ি ছেড়েছিল সে।

এখানেই শেষ নয়, লভলেশের পরিবারের বক্তব্য, আগে থেকেই মাদক সেবন করতে সে। চার ভাই বোন তাঁরা। অন্যদিকে, সানি সিংয়ের দাদা পিন্টু সিং জানিয়েছে, আমরা আলাদা থাকি। জানি না ভাই কবে আসামী হয়েছে। আমাদের এই ঘটনার সঙ্গে যোগ নেই। অন্যদিকে, ২০১০ সালের একটি ঘটনার পর ঘরছাড়া অরুণ। সূত্রের খবর, দিল্লিতে একটি ফ্যাক্টরিতে কাজ করতে সে।


বড় মাফিয়া হয়ে ওঠাই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য ছিল, বিস্ফোরক দাবি ধৃতদের

পুলিশের জেরায় তিনজন জানিয়েছে, জেলে থাকাকালীন একে অপরের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে তিন জনের। পরে জেল থেকে বেরিয়ে অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। সম্প্রতি তারা জানতে পারে আতিক ও তাঁর ভাই আশরাফকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে। এরপরই দু’জনকে খুনের পরিকল্পনা করে ওই আততায়ীরা। সেইমতো শুক্রবার হাসপাতালে রেকি করে বেরিয়ে আসে তাঁরা। এরপর পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে পরপর গুলি করে মেরে ফেলে দু’জনকেই।







