নজরবন্দি ব্যুরোঃ তাঁর অনুপস্থিতি নিয়ে চর্চা হাজার। আজ সকালে হেস্টিংসে বিজেপির দলীয় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না মুকুল রায়-রাজীব ব্যানার্জী-সব্যসাচী দত্ত। তার পর থেকেই একপ্রকার গুঞ্জন শুরু হয়েছিল ‘রায়’ পরিবার কে। পিতা-পুত্রর গত কয়েকদিনের কথা-বার্তায় এমনিতেই সকলে আঁচ করছেন হয়তো বা পুরানো ঘরে ফেরার প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছেন তাঁরা।
আরও পড়ুনঃ ফাঁকা হেস্টিংস! মিটিং জেনেও আসেননি রাজীব-মুকুল, দিল্লিতে শুভেন্দু, বিরক্ত দিলীপ


জল্পনা ছিলোই, তা অন্য মাত্রায় গিয়েছিল মুকুল পুত্রর পোস্ট। আর তাতে পুরো মাত্রায় ঘৃতাহুতি দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মুকুল জায়া অসুস্থ হওয়ায় বাল্যকালের স্মৃতি উস্কে তিনি ছুটে গিয়েছিলেন হাসপাতালে। আপ্লুত শুভ্রাংশু-মুকুলের কথাতেও ধরা পড়েছিল রায়-ব্যানার্জী পরিবারের পুরানো সম্পর্ক। যা এখনো নিজেদের মনে বয়ে নিয়ে যাচ্ছে দু পরিবারের সদস্যরা। যদিও অভিষেক যাওয়ার পরেই বিজেপির নেতা নেত্রীরা মুকুল জায়াকে দেখতে ছুটে গেলেও বরফ গলেনি।
আজ বৈঠকে মুকুল রায়ের অনুপস্থিতি নিয়ে যখন জল্পনা চলছিলোই। সকাল থেকে এক প্রস্থ ফের শুরু হয়েছিল তাঁর দলত্যাগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা, তখন খোদ মুকুল রায় জানিয়েছেন আজকের বৈঠকের কথা নাকি জানতেনই না তিনি! সম্প্রতি করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন তিনি, এখন গুরুতর অসুস্থ স্ত্রী। অনেকেই মনে করছিলেন সেই কারণেই দিলীপের ডাকা বৈঠকে গরহাজির তিনি।
তাঁর অনুপস্থিতি নিয়ে চর্চা হাজার, সব কিছুর উত্তরে মুকুল রায় সাফ জানিয়েছেন নিজের জ্বালায় যর্যরিত তিনি। এই মুহুর্তে এসবের মধ্যে নেই। তবে তার সঙ্গেই বিতর্ক উস্কে তৃণমূলের প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি জানিয়েছেন, আজকের বৈঠক সম্পর্কে কেউ কিছু বলেনি তাঁকে। অন্যদিকে জল্পনা চলছিলো আরও এক তৃণমূল ত্যাগী প্রথম সারির নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপস্থিতি নিয়েও। এমনিতেই ভোটের পর থেকে একপ্রকার চুপ করে আছেন তিনি। সূত্রের খবর তাঁর এক আত্মীয় অসুস্থ থাকায় হেস্টিংসের বৈঠকে আজ উপস্থিত থাকতে পারেননি।









