নজরবন্দি ব্যুরোঃ জেলার পাশাপাশি কলকাতাতে শুরু হইয়েছে রুটমার্চ, আগামি ২৭ মার্চ থেকে রাজ্যে শুরু ভোট গ্রহণ। মোট ৮ দফায় ২৯৪ টি কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ভোটাররা। এই নির্বাচনকে কার্যত নিখুঁত এবং সন্ত্রাস মুক্ত করার প্রচেষ্টায় নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা নির্বাচনের দিন ঘোষণার আগেই দফায় দফায় ঘুরে গেছেন বাংলা থেকে। নির্দেশ দিয়ে গেছেন সর্বস্তরের প্রশাসনিক কর্তাদের। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় মুড়ে ভোট করাতে বাংলায় ১২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ইতিমধ্যেই এসে গিয়েছে রাজ্যে। কিন্তু সেখানেই কিশেষ?
আরও পড়ুনঃ আম আদমির ঝাঁটায় দিল্লীতে সাফ পদ্ম, পুরসভা উপ-নির্বাচনে বড় জয় আপের
না, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে আসতে চলেছে আরও ১৭০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। পাশাপাশি ২৫ মার্চের মধ্যে মোট ৬৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসতে চলেছে রাজ্যে। এভাবেই ধাপে ধাপে কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পৌঁছবে বাংলায়। ২৭ মার্চ প্রথম দফার পাঁচটি জেলার ৩০টি বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচন হতে চলেছে রাজ্যে। আর প্রত্যেকটি বিধান সভা পিছু থাকছে ৩ কোম্পানি আধা সেনা।
এক কোম্পানিতে কতজন আধাসেনা থাকেন? উইকিপিডিয়া বলছে সেনাবাহিনীতে কোম্পানি পিছু সর্বনিম্ন ৮০ জন এবং সর্বোচ্চ ২২৫ জন সেনা থাকেন। অর্থাৎ প্রথম দফার নির্বাচনে এক একটি বিধানসভা পিছু সর্বনিম্ন ৮০ X ৩ = ২৪০ জন এবং সর্বোচ্চ ২২৫ X 3 = ৬৭৫ জন সেনা মোতায়েন থাকতে পারেন।
অন্যদিকে ইতিমধ্যেই রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে রুট্মার্চ। ভোট চলাকালীন রাজ্যে খুঁটিনাটি জানার জন্য এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীকে এলাকা চেনানোর জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনির সঙ্গে রাজ্যের পুলিশ মিলে রুটমার্চ করেছেন একাধিক স্থানে। ভোট নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে থাকছে সিআরপিএফ, সিআইএসএফ, বিএসএফ, এসএসবি, আইটিবিপি জওয়ানরা।
ভোটের অনেক আগেই রাজ্যকে কার্যত নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলতে চাইছে নির্বাচন কমিশন। উল্লেখ্য, রাজ্যে নজিরবিহীন ভাবে ৮ দফায় নির্বাচন করানোর জন্যে নির্বাচন কমিশনের রীতিমত সমালোচনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন পুরোপুরি বিজেপি শীর্ষ নেতাদের কথায় পরিকল্পিত ভাবে ভোট সাজানো হয়েছে। অভিযোগের পাশাপাশি চেনা মেজাজে তৃণমূল সুপ্রিমো জানিয়ে দেন, “যতই ষড়যন্ত্র করুন, হারিয়ে ভূত করে দেব। খেলা হবেই…”



