লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘন্ট প্রকাশের পর প্রথমবার পশ্চিমবঙ্গে প্রচারে এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বৃহস্পতিবার কোচবিহারের রাসমেলা ময়দানে কোচবিহারের বিদায়ী সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের সমর্থনে সভা করলেন তিনি। আর সেখানেই বক্তব্য রাখার প্রথমেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানালেন নরেন্দ্র মোদী।
আরও পড়ুন: শ্রীরামপুর দিন-মুর্শিদাবাদ নিন, আর ‘লোড’ নিতে পারছি না! সেলিমকে ‘প্রস্তাব’ নওশাদের


এদিন বক্তব্য রাখার শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, “আমি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানাতে চাই। ২০১৯ সালে যখন এই মাঠেই সভা করতে আসি, সেবার মাঠের মাঝখানে দিদি একটা গোল মঞ্চ তৈরি করে সভামঞ্চ ছোট করে দিয়েছিলেন। আমি সেবার বলেছিলাম, মানুষ এর জবাব দেবে। উত্তরবঙ্গ আগেই জবাব দিয়ে দিয়েছে।”

সঙ্গে তাঁর আরও সংযোজন, “এবার দেখছি মাঠে সেসব কিছু নেই। সেই জন্য দূর দূরান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষ আসতে পেরেছেন। আমি ধন্যবাদ জানাই দিদিকে। আমি হেলিকপ্টার থেকে নেমে যখন গাড়ি করে আসছিলাম, রাস্তার দু’পাশে প্রচণ্ড ভিড়। যেন কোনও রোড শো চলছে! আমি আপ্লুত আপনাদের আশীর্বাদ পেয়ে।”



কুরুক্ষেত্র কোচবিহার, বক্তব্যের শুরুতেই মমতাকে ধন্যবাদ জানালেন মোদী, কারণ কী?
কোচবিহারে আসার আগে প্রধানমন্ত্রী জানান, “আমি কোচবিহারের জনসাধারণের মধ্যে আসার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছি আজ-ই দুপুর ৩টে ৩০ নাগাদ বঙ্গ বিজেপি-এর সমাবেশে ভাষণ দিতে। ওখানকার মানুষ আমাদের উন্নয়ন কর্মসূচিকে বিরাটভাবে সমর্থন করছেন আর, আমার দৃঢ় বিশ্বাস ওঁরা আবার বিজেপির প্রতি আস্থা বজায় রাখবেন।”

এদিন মঞ্চে নরেন্দ্র মোদীকে দোতারা উপহার দেন এক অনুরাগী। বেশ কয়েকটি হাতে আঁকা ছবিও উপহার হিসাবে পেলেন প্রধানমন্ত্রী। এই উপহার সামগ্রী পেয়ে যথেষ্ট খুশি তিনি। মঞ্চেই দোতারা বাজালেন প্রধানমন্ত্রী। ১৯ এপ্রিল থেকে শুরু লোকসভা নির্বাচন। সেদিন বাংলার কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়ি এই তিনটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ। সে কারণেই উত্তরবঙ্গে আগে প্রচারে এলেন নরেন্দ্র মোদী। কোচবিহার কেন্দ্রে এবারেও বিজেপির প্রার্থী বিদায়ী সাংসদ নিশীথ প্রমাণিক, তৃণমূলের তরফে জগদীশ চন্দ্র বাসুনিয়াকে টিকিট দেওয়া হয়েছে।







