নজরবন্দি ব্যুরোঃ পুরুলিয়ার শহিদ পরিবারের সদস্যদের সম্মান জানালেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলা ভাষায় উপস্থিত জনতাকে সম্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী। রঘুনাথ মুর্মু, সিধু-কানুকে সম্মান জানালেন। পুরুলিয়ার মাটি রাম-সীতার বনবাসের সাক্ষী। বনবাসের সময় সীতা যখন জলতেষ্টা পেয়েছিল, শ্রীরাম মাটিতে বান মেরে জলের ধারা এনেছিল। এর থেকেই বোঝা যায় পুরুলিয়ায় জলের অবস্থা কত ভাল ছিল।
আরও পড়ুনঃ এই নির্বাচন বাংলার, আমি আপনাদের পাহারাদার, দুর্ঘটনা হলেও টাকা দিইঃ গড়বেতায় মমতা।


এখন পুরুলিয়ায় জলকষ্ট। ৮ বছরে জলপ্রকল্পের কাজ শেষ করতে পারেনি। আমজনতার এতটাই জলকষ্ট যে তাঁরা ঠিকমতো চাষ করতে পারে না। পানীয় জলের জন্য মহিলাদের অনেক দূরে যেতে হবে। বাম ও রাজ্যের এখনকার শাসকদল গোটা দেশের কাছে পুরুলিয়াকে পিছিয়ে পড়া জেলা হিসেবে তুলে ধরেছেন। তৃণমূল আমলে আরও পিছিয়ে পড়েছে পুরুলিয়া। দিদিকে নিজের কাজের হিসেব দিতে হবে। বছরের পর বছর ধরে একটা সেতুও তৈরি করতে পারল না তৃণমূল। এখন উন্নয়নের কথা বলছে। তারা তো নিজের খেলাতে ব্যস্ত। বিজেপি ক্ষমতায় এলে সমস্ত কষ্ট দূর হবে।
ডাবল ইঞ্জিনের সরকার চলব। উন্নয়ন হবে। পুরুলিয়ায় হস্তশিল্পের বিকাশের সুযোগ রয়েছে। বিজেপি যেখানে যেখানে ক্ষমতায় এসেছে সেখানে হাজার হাজার কিলোমিটার জলের পাইপ লাইন বসেছে। জলের কষ্ট দূর হয়েছে। চাষিরা নিজেদের মতো চাষ করতে পারবে। বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে জলের কষ্ট দূর করবে। রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা রেল দিয়ে যুক্ত করা হবে। ২ মে-র পর বিজেপি সরকার গড়লে ডানকুনির ফ্রেট করিডরের কাজ দ্রুত শেষ হবে। সড়কপথেরও উন্নয়ন করবে। কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। পুরুলিয়ার মানুষকে বাইরে যেতে হবে না। আমি দিল্লিতে থেকেও পুরুলিয়ার কষ্ট বুঝি। তাই সেই কষ্ট দূর করার চেষ্টা করছি। আমি জানি কীভাবে তোষণের নামে এখানকার যুবদের অধিকার অন্যদের দিয়ে দেওয়া হয়েছে?
পুরুলিয়ার শহিদ পরিবারের সদস্যদের সম্মান জানালেন প্রধানমন্ত্রী। মা-মাটি-মানুষের সরকারের যদি আদিবাসী, দলিত, পিছিয়ে পড়া শ্রেণির মানুষের প্রতি যদি ভালবাস থাকত তাহলে এটা করতে পারত না। তৃণমূল মাওবাদিদের জন্য নতুন শাখা তৈরি করে দিয়েছে।









