নজরবন্দি ব্যুরোঃ মিমি নুসতদের টুইট প্রচারেও ‘বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়’ স্লোগানের জয়জয়াকার। ফুলের হাতেই যে আগামী নির্বাচনে রাজ্যের ক্ষমতা আসতে চলেছে তা নিয়ে কারোর কোন দ্বিধা নেই। তবে এখন দেখার রাজ্যে জোড়াফুল নাকি পদ্মফুল ফুটছে আগামী নির্বাচনে। তবে ফল যাই হোক তার আগে ভোটের প্রচারে খামতি রাখছে না কোন দলই। বামফ্রন্টের টুম্পা প্যারোডি থেকে বিজেপির পিসি যাও জনসংযোগে পিছিয়ে নেই কোন দলই। আর এবার রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের ‘বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়’ স্লোগানের জয়জয়কার চারদিকে। যা প্রথম শোনা যায় গতকাল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে। পূর্ব ঘোষণা মতই নিজেদের এই স্লোগান ঘোষণা করে শাসকদল।
আরও পড়ুনঃ ভোটের আগে ক্রমবর্ধমান তেলের দামে লাগাম টানছে রাজ্য সরকার, মধ্যরাত থেকেই কমছে দাম।


স্লোগানের পোস্টারে মুড়িয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে ঘোষিত হল সেই স্লোগান। এর প্রচারে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন রাজ্যের নেতা কর্মীরা। বাদ যাচ্ছেন না তারকা সাংসদরাও। তারাও ‘দিদিরদূত’-এর পরে শুরু করে দিয়েছেন বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়’ এর প্রচার। সাংসদ অভিনেত্রী মিমি নুসরত শুরু করে দিয়েছেন ভােটের প্রচার। বিভিন্ন মঞ্চে সভাতে দেখা যাচ্ছে নুসরতকে। এবার তিনি তাদের নতুন স্লোগানকে হাইলাইট করে ট্যুইটারে পােস্ট করেন। বাদ যাননি আরেক তারকা সাংসদ মিমিও।
সােশ্যাল মিডিয়াতে প্রচার শুরু করে দিয়েছেন পুরােদমে। তিনিও ‘বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়’ স্লোগান দিনে টুইট করেন। এই স্লোগানের পরে নিশ্চিত বাংলার মেয়ে’ই তৃণমূলের স্লোগানের বর্শাফলক। উনিশের লােকসভার আগে থেকেই বাঙালি সেন্টিমেন্টকে পুঁজি করে এগােতে চাইছে তৃণমূল। একুশের বিধানসভার আগে সেই স্লোগান পূর্ণতা লােকসভা ভােটে ধাক্কা খাওয়ার পর প্রশান্ত কিশােরের সংস্থা আইপ্যাককে নিয়ােগ করেছিল তৃণমূল। তারপর থেকে ধাপে ধাপে বিভিন্ন স্লোগান ও কর্মসূচি করেছে বাংলার শাসকদল।
মিমি নুসতদের টুইট প্রচারেও ‘বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়’ স্লোগানের জয়জয়াকার। কখনও ‘দিদিকে বলাে তাে কখনও বাংলার গর্ব মমতা’। অনেকে বলেন, সর্বশেষ ‘দুয়ারে সরকার এবং পাড়ায় পাড়ায় সমাধান’ও পিকে-র টিমের মস্তিষ্ক প্রসূত। এবার ভােটের আগে স্লোগান বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়।’










