চাপের মুখে মোদীর গণতন্ত্র! কেজরীওয়াল ইস্যুতে জার্মানির পর তোপ আমেরিকার, মার্কিন কূটনীতিককে তলব

যারা ভারতকে কঠোর বার্তা দিচ্ছে তারা রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য। এখনও মোদী সরকারের ১০ বছর পরও সেই 'কোর গ্রুপে' ভারতের অন্তর্ভুক্তি হয়নি। যা নিশ্চিতভাবেই ভারতের বিদেশনীতির জন্য যথেষ্ট হতাশাজনক।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

লাভ হল না ঢাকঢোল পিটিয়ে জি ২০ সম্মেলন করে। জার্মানির পর এবার আমেরিকা। আবগারি দুর্নীতি মামলায় দিল্লীর মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীওয়ালের গ্রেফতারি নিয়ে কিছুদিন আগে মুখ খুলেছিল জার্মানি। তখন জার্মানি দূতাবাসে জানানো হয় এটি তাদের আভ্যন্তরীণ বিষয়। এরপর ভারতের বন্ধু তথা পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ আমেরিকা এই বিষয় নিয়ে সদ্য মুখ খুলেছেন। যাতে কার্যত অস্বস্তিতে ভারত।

চাপের মুখে মোদীর গণতন্ত্র! কেজরীওয়াল ইস্যুতে জার্মানির পর তোপ আমেরিকার, মার্কিন কূটনীতিককে তলব

আরও পড়ুন : সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা বাংলার মানুষকে ফেরত দেওয়া হবে, প্রতিশ্রুতি মোদীর

আমেরিকা যে কেজরীওয়ালের গ্রেফতারি নিয়ে ওয়াকিবহাল সে বিষয়টি সাফ জানিয়ে দিয়েছে মার্কিন মুলুক। ভোটের মুখে চাপ বাড়ছে বিজেপির অন্দরে। কারণ প্রধানমন্ত্রীকে বিশ্বগুরু হিসাবে আন্তর্জাতিক দুনিয়া এবং দেশের ভোটারদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা প্রায় শেষ। এরপরই মার্কিন দূতাবাসের ডেপুটি চিফ গ্লোবিয়া বারবানাকে ডেকে পাঠাল ভারতের বিদেশমন্ত্রক।

চাপের মুখে মোদীর গণতন্ত্র! কেজরীওয়াল ইস্যুতে জার্মানির পর তোপ আমেরিকার, মার্কিন কূটনীতিককে তলব

গ্লোবিয়া বারবানার আগে জার্মানির দূতাবাসের ডেপুটি চিফ জর্জ এনজুয়েলারকে ডেকে পাঠিয়েছিল ভারতীয় দূতাবাস। বর্তমানে আমেরিকার বিদেশ দফতরের মুখপাত্র হলেন ম্যাথু মিলার। তিনি বলেছেন,”আশা করি কেজরীওয়াল ন্যায্য, স্বচ্ছ এবং সময়োপযোগী বিচার পাবেন।” আমেরিকা ভারতকে পরোক্ষভাবে চাপে রাখতে চাইছে বলে মনে করা হচ্ছে।

চাপের মুখে মোদীর গণতন্ত্র! কেজরীওয়াল ইস্যুতে জার্মানির পর তোপ আমেরিকার, মার্কিন কূটনীতিককে তলব
চাপের মুখে মোদীর গণতন্ত্র! কেজরীওয়াল ইস্যুতে জার্মানির পর তোপ আমেরিকার, মার্কিন কূটনীতিককে তলব

এই বিষয়ে দিল্লী সাফ জানাচ্ছে, ‘কূটনীতিতে রাষ্ট্রগুলি অন্যের সার্বভৌমত্ব এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলির প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবে, এমনটাই আশা করা যায়। এই দায়িত্ব সহকর্মী গণতন্ত্রের ক্ষেত্রে আরও বেশি, নয়তো অস্বাস্থ্যকর নজির স্থাপন করতে পারে।’ কেন বারবার ভারতকে পশ্চিমী দুনিয়ার প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে তা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন?

চাপের মুখে মোদীর গণতন্ত্র! কেজরীওয়াল ইস্যুতে জার্মানির পর তোপ আমেরিকার, মার্কিন কূটনীতিককে তলব

বিরোধীদের কটাক্ষ, যে যে মানদণ্ড আদর্শ গণতন্ত্রের চালিকাশক্তি, তার প্রায় সবই গত কয়েক বছরের আন্তর্জাতিক রিপোর্টে ধাক্কা খেয়েছে। যারা ভারতকে কঠোর বার্তা দিচ্ছে তারা রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য। এখনও মোদী সরকারের ১০ বছর পরও সেই ‘কোর গ্রুপে’ ভারতের অন্তর্ভুক্তি হয়নি। যা নিশ্চিতভাবেই ভারতের বিদেশনীতির জন্য যথেষ্ট হতাশাজনক।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত