সামনেই লোকসভা নির্বাচন। ঘোষণা হয়ে গেছে যুদ্ধের দিনক্ষণ। প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিয়েছে শাসকদল। ৪ আসন বাদে বাকী ৩৮ আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিয়েছে রাজ্যের বিরোধী দল। প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরে দেখা যাচ্ছে নবাগতা প্রার্থীদের ব্যক্তিগত ভাবে ফোন করছে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। বাংলায় কৃষ্ণনগর কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে বিজেপি টিকিট দিয়েছে ‘রাজমাতা’ অমৃতা রায়কে।

আরও পড়ুন : শুরু হল রোজভ্যালির টাকা ফেরত প্রক্রিয়া, কীভাবে করবেন আবেদন?
বিজেপি সূত্রে খবর, অমৃতাকে উৎসাহ দিতেই বুধবার সকালে তাঁকে ফোন করেন মোদী। তখনই তিনি জানান, বাংলায় বিবিধ দুর্নীতি কাণ্ডে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। সেই বাজেয়াপ্ত অর্থ সাধারণ মানুষের মধ্যে বিলিয়ে দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী জানান,নতুন সরকার তৈরি হওয়ার পর একটা আইনি ব্যবস্থা হবে, যাতে গরিব মানুষের থেকে লুঠ করা টাকা ফেরানো যায়।

জানা যাচ্ছে মঙ্গলবার ওই কথোপকথন প্রায় ৫ মিনিট অব্দি চলে। কৃষ্ণনগর থেকে রাজমাতাকে প্রার্থী করার পর তাঁকে নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি রাজ্যের শাসকদল। তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেছিলেন, “পরাধীন ভারতে ইংরেজদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছিল কৃষ্ণনগরের রাজপরিবার। নবাব সিরাজের সঙ্গে ইংরেজদের লড়াইয়ের সময়ে ইংরেজদের সাহায্য করেছিল কৃষ্ণনগরের রাজপরিবার।”
বাংলার ভোটের দুই বিজেপি প্রার্থীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ফোনালাপ শুনলাম। ভারি যত্ন করে সেই রেকর্ডিং বাজারে ছাড়া হয়েছে।
প্রশ্ন হল, এত দিনেও মণিপুরের নির্যাতিতা মা বোনেদের কাছে মোদিজির ফোন গেল না কেন? কিংবা গুজরাটের ধর্ষিতা বিলকিস বানুর কাছে? কিংবা সোনার মেয়ে সাক্ষী মালিকের কাছে,…
— Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) March 27, 2024
সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা বাংলার মানুষকে ফেরত দেওয়া হবে, প্রতিশ্রুতি মোদীর
এই বিকৃত রাজনীতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অভিযোগ জানান ‘রাজমাতা’। এরপর বিজেপি প্রার্থীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনি জিতে আসুন। দেখা হবে। জেতার পর প্রথম ১০০ দিনের মধ্যে কৃষ্ণনগরে কী করতে হবে, সেটা তৈরি করে রাখুন। আমরা সাহায্য করব। যে কাজ ভারত সরকারকে করতে হবে, তা দ্রুত শেষ করার জন্য চেষ্টা করব।” প্রধানমন্ত্রী এই প্রার্থীদের ফোন করা নিয়েও কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধীরা।



