নজরবন্দি ব্যুরোঃ এই জোট শুধু মাত্র সাগরদিঘি উপনির্বাচনের ক্ষেত্রে। পঞ্চায়েত ভোটে ফের আলোচনায় বসে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সোমবার সাগরদিঘি উপনির্বাচন নিয়ে এমনটাই মন্তব্য করে বসলেন সিপি(আই)এমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। তবে উপনির্বাচনে জোট মানেই পঞ্চায়েত নির্বাচনে জোটে সবুজ সঙ্কেত নয়। এখন থেকেই একপ্রকার স্পষ্ট করলেন বাম নেতা।
আরও পড়ুনঃ Kunal Ghosh: বিজেপিতে থেকে খবর দিন, দলবদলে আগ্রহীদের জানালেন কুণাল


তাঁর কথায়, ভোটে লুটেরাদের হাত থেকে আমরা পঞ্চায়েত দখল করতে চাই। মানুষের স্বার্থে উন্নয়নের স্বার্থে আমরা গ্রামের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করব। কিন্তু কংগ্রেস প্রার্থী ব্যারন বিশ্বাসকে নিয়ে বিরোধীর প্রচার করছে, প্রার্থী তৃণমূল ঘনিষ্ঠ। এমনকি তিনি প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করতে পারেন। এসম্পর্কে সেলিমের জবাব, তৃণমূল-বিজেপির সম্পর্ক অজানা নয়। ওরা প্রচার করছে করুক।

প্রসঙ্গত, সাগরদিঘি উপনির্বাচনে আগে থেকেই ব্যরন বিশ্বাসকে প্রার্থী করেছিল কংগ্রেস। কংগ্রেস প্রার্থীর প্রচারে বাম নেতৃত্বকে এগিয়ে আসার জন্য বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমান বসুকে চিঠি লেখেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী। দীর্ঘ সময় ধরে জেলা নেতৃত্ব এবং রাজ্য নেতৃত্বের বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সাগরদিঘি উপনির্বাচনে জোটেই লড়বে তাঁরা। কিন্তু ওই আসনটিতে বাজিমাত করতে পারবে জোট।
এই জোট শুধু মাত্র সাগরদিঘি উপনির্বাচনের ক্ষেত্রে, স্পষ্ট করলেন সেলিম

সূত্রের খবর, ওই কেন্দ্র থেকে এতদিন ধরে জয়লাভ করে এসেছেন সুব্রত সাহা। রাজ্যের মন্ত্রীও ছিলেন তিনি। এখন সেই কেন্দ্রে দেবশিস বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রার্থী করেছেন তৃণমূল। যিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মীয় বলেও পরিচিত। অন্যদিকে প্রাক্তন তৃণমূল সদস্য দিলীপ সাহাকে প্রার্থী করেছে বিজেপি। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এই নির্বাচন অ্যাসিড টেস্ট বলেই মনে করা হচ্ছে। সাগরদিঘির আসনে বিরাট চমক দেবে বিরোধীরা? নাকি গর ধরে রাখবে তৃণমূল? উঠছে প্রশ্ন।









