নজরবন্দি ব্যুরো: উমা বিদায়ের পর ধনদেবী লক্ষ্মীকে ঘরে আনার প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায়। আজ মা লক্ষ্মীর আরাধনার দিন। ঘরে ঘরে ব্যস্ততা তুঙ্গে। কারও কারও বাজার এখনও বাকি। সকাল থেকেই বাজারেও ভিড় চোখে পড়ছে। কিন্তু বাজার করতে গিয়েই ছ্যাকা লাগছে মধ্যবিত্তের। ধনদেবীর পুজোর আয়োজন করতে গিয়ে পকেটে টান পড়ছে গেরস্থের। প্রতিমা থেকে শুরু করে ফুল, ফল সহ সব জিনিসের দাম বেড়েছে।
আরও পড়ুন: স্বস্তিতে কাটবে লক্ষ্মীপুজো, কমবে তাপমাত্রা, ফিরছে শীতের আমেজ


লক্ষ্মী পুজো উপলক্ষে এক দুদিন ধরেই বাজারে ভিড় বাড়ছে। সবজির দোকান, মুদির দোকান, ফল-ফুলের দোকান ও দশকর্মা ভান্ডারে বেচাকেনা চলছে। সপ্তাহখানেক ধরেই কলা বিকোচ্ছে পাঁচ টাকা প্রতি পিস, এদিনও তার দামে পরির্বতন হয়নি। বেদানার দাম কয়েকদিন আগে ছিল ২৫০ টাকা কিলো, লক্ষ্মীপুজো উপলক্ষে সেই ফলের দাম দাঁড়িয়েছে ২৮০ টাকা কিলো। রাঙালু ও শাঁকালু এক লাফে ১০ টাকা বেড়ে হয়েছে ৮০ টাকা।



আনাজের বাজারে কোজাগরী লক্ষী পুজোর মুখেই সব জিনিসের দাম কমপক্ষে ৫-১০ টাকা বেড়েছে। পেঁয়াজ কিলো প্রতি ছিল ৫৫ টাকা যা এখন দাঁড়িয়েছে ৬০ টাকায়। টমেটো কিলো প্রতি দাম বেড়ে হয়েছে ৪৫ টাকা। পাশাপশি পটল ৫০ টাকা, বেগুন ৪০ টাকা, ঝিঙে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একটা ধানের শিষ বিকোচ্ছে ১৫-২০ টাকায়। দুর্গা পুজোর ধারা বজায় রেখে লক্ষ্মী পুজোতেও অগ্নি মূল্য পদ্ম ফুল। এক একটি পদ্ম ফুলের দাম ৪০-৭০ টাকা। কোন কোন বাজারে আবার ৪০ টাকার পটল বেড়ে হয়েছে ৬০ টাকা। গাজর ৬০ টাকা কেজি, পালং শাক ১২০ টাকা কেজি।

প্রতিমার দামও আকাশ ছোঁয়া। বাজার ঘুরে জানা গিয়েছে, বড় প্রতিমার বিক্রি কমেছে। ছোট প্রতিমা দিয়েই কাজ সারছেন ক্রেতারা। তাতেও স্বস্তি কোথায়? ছোট ছোট ছাঁচের প্রতিমা যেটার দাম ছিল ১৫০ টাকার মধ্যে, তার দাম এ দিন ছিল আড়াইশো টাকার উপরে। ছোট রজনী ও গাঁদা ফুলের মালার দাম ছিল ৩০ থেকে ৫০ টাকা। নারকেল ৫০ থেকে ৭০ টাকা পিস। এক কথায় বলা চলে, লক্ষ্মীকে ঘরে আনতে গিয়ে ঘাম ঝড়ছে সাধারণ মধ্যবিত্ত মানুষের।
পুজোর বাজারে আকাশছোঁয়া দাম, ধনদেবীর আরাধনার জোগানে ছ্যাঁকা মধ্যবিত্তের পকেটে








