নজরবন্দি ব্যুরোঃ হাসপাতাল থেকে রিহ্যাব সেন্টারে যাচ্ছেন মারাদোনা। গুরুতর সমস্যা তেমন নেই। শরীর আগের থেকে অনেকটাই ভাল। হাসপাতাল থেকেও ছাড়া পেয়েছেন। কিন্তু তা হলেও বাড়ি ফেরা হল না দিয়েগো মারাদোনার। উল্টে হাসপাতাল থেকে সোজা যেতে হল বুয়েন্স আয়ার্সের এক রিহ্যাব সেন্টারে।
আরও পড়ুনঃ আগামী আইপিএল ভারতেই আয়োজন করতে চায় বোর্ড, সুরক্ষিত এয়ার বাবল তৈরির পরিকল্পনা
দিয়েগোর অতিরিক্ত অ্যালকোহল নির্ভরতা কমাতে চান তাঁর চিকিৎসক লিপোলদো লুকি। সেজন্যই আপাতত রিহ্যাবে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানাচ্ছেন তাঁর চিকিৎসক। হাসপাতাল থেকে রিহ্যাব সেন্টারে যাচ্ছেন মারাদোনা। মারাদোনার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত মাদক সেবন বা মধ্যপানের অভিযোগ নতুন কিছু নয়। এর আগে বহুবার অতিরিক্ত নেশার সামগ্রী গ্রহণ করার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। যার জেরে বহুবার অসুস্থও হয়েছেন আর্জেন্টিনার মহারাজ।
বহুবার আইনি জটিলতাতেও পড়তে হয়েছে। তবু মাদক নির্ভরতা কমাতে পারেননি ফুটবল রাজপুত্র। তাই শেষমেশ তাঁকে রিহ্যাবে ভর্তি করার সিদ্ধান্ত নিলেন তাঁর চিকিৎসক লুকি। তিনি বলছিলেন,”আমাদের সবসময় ওঁর স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাখতে হচ্ছে। বিশেষ করে এখন।” উল্লেখ্য, নিজের ৬০ তম জন্মদিন পালনের কয়েকদিন পরই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন মারাদোনা। তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে।
প্রথমে শোনা গিয়েছিল, মারাদোনা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছে। তাঁর শরীরে করোনার প্রভাবও রয়েছে। সেসব গুজব উড়িয়ে দিয়ে তাঁর চিকিৎসক লিপোলদো লুকি জানান, মারাদোনার শরীরে করোনার কোনও লক্ষণ পাওয়া যায়নি। তিনি হৃদরোগেও আক্রান্ত হননি। দীর্ঘদিন ধরেই মানসিক সমস্যায় ভুগছেন তিনি। তাঁকে গ্রাস করেছে অবসাদ। পরে জানা যায়, তাঁর মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। তাই অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। লা প্লাতার এক স্পেশালিটি ক্লিনিকে অস্ত্রোপচার করা হয় মারাদোনার।
তারপর থেকে হাসপাতালেই ভরতি ছিলেন ফুটবল রাজপুত্র। তাঁর স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগে ছিল গোটা বিশ্বের ফুটবল মহল। লা প্লাতার সেই হাসপাতালের বাইরে রোজ জড়ো হতেন অনুগামীরা। অবশেষে বুধবার হাসপাতাল থেকে রিহ্যাব সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে দিয়েগোকে। চিকিৎসকদের দাবি, এখন অনেকটাই সুস্থ তিনি।



