নজরবন্দি ব্যুরো: যে রাতে প্রথম বর্ষের ছাত্রটির মৃত্যু হয় সেই সময় পুলিশ খবর পেয়ে এলেও তাঁদের ক্যাম্পাসে ঢুকতে দেওয়া হয়নি, এই কথা আগেই প্রকাশ্যে এসেছে। এবার পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পারছে, ঘটনার রাতে হস্টেলে ছেড়ে পালিয়ে যান অনেক প্রাক্তনী। প্রশ্ন, সেই কারণেই কি পুলিশকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি? তথ্য প্রমাণ লোপাটের চেষ্টাতেই কি এই ধরনের কাজ করেন ছাত্রদের একাংশ?
আরও পড়ুন: মমতার নির্দেশে যাদবপুরের নিহত ছাত্রের বাড়িতে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল
যাদবপুরের প্রথম বর্ষের ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই তিন ছাত্রকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। যাঁদের মধ্যে দু’জন দ্বিতীয় বর্ষের পড়ুয়া এবং একজন প্রাক্তনী। তদন্তে নেমে একের পর এক নতুন তথ্য জানতে পারছে পুলিশ।

প্রথমেই একটি রহস্যজনক চিঠি পাওয়া যায় মৃত ছাত্রের হাতের লেখায়। পরে প্রমাণ হয় তাঁর হাতের লেখা নকল করে ওই চিঠি লিখেছেন ধৃতদেরই একজন। ‘রুদ্রদা’ বলে যার কথা চিঠিতে লেখা ছিল তিনিও আপাতত সন্দেহের বাইরে। হস্টেলের রাধুনী জানিয়েছেন, সিনিয়রদের কথা না শুনলে বারান্দার রেলিং দিয়ে হাঁটতে বাধ্য করা হত জুনিয়রদের।

পাস করার পরেও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলে থেকে যান অনেক প্রাক্তনী। এ কথা আগেই জানতে পারে পুলিশ। এবার জানা গেল, ঘটনার রাতে অনেক প্রাক্তনীই পালিয়েছেন। কারা কারা সে রাতে হস্টেলে ছিলেন এবং কারা চলে গিয়েছেন তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রাক্তনীদের দ্রুত হস্টেল খালি করার নির্দেশ দিয়েছেন।
ঘটনার রাতে হস্টেলে ছেড়ে পালান অনেক প্রাক্তনী, যাদবপুরকাণ্ডে একের পর এক নতুন তথ্য




