নজরবন্দি ব্যুরো: যাদবপুরের প্রথম বর্ষের ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় তোলপাড় বঙ্গ রাজনীতি। এবার নিহত ছাত্রের বাড়িতে ৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার নদীয়ার হাঁসখালির বগুলা গ্রামে যাবেন তাঁরা। কে কে রয়েছেন এই দলে?
আরও পড়ুন: যাদবপুরের দখল নেওয়া কীভাবে সম্ভব? তৃণমূল ছাত্র সংগঠনকে মন্ত্র দিলেন মমতা
তৃণমূল সূত্রের খবর, ৫ সদস্যের এই প্রতিনিধি দলে রয়েছেন ত্ন মন্ত্রী ব্রাত্য বসু, শশী পাঁজা, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং দলের যুবনেত্রী সায়নী ঘোষ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই এই পাঁচ জনকে পাঠাবার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। মূলত নিহত পরিবারের পাশে থাকার বার্তা নিয়েই বগুলা যাবে এই প্রতিনিধি দল।

মর্মান্তিক এই ছাত্রমৃত্যুর ঘটনার পরেই নিহত ছাত্রের বাবার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। তদন্ত করে দ্রুত বিচারের আশ্বাসও দেন তিনি। সোমবারই আবার এই ঘটনা নিয়ে বামেদের চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর মতে, এই কাজের জন্য দায়ী মার্ক্সবাদীরা। ঠিক কী বলেন মুখ্যমন্ত্রী?

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বয়ানে, “এরা মার্কসবাদী। বড় বড় কথা বলছে। কখনও বিজেপি, কংগ্রেসের সঙ্গে ঘর করছে। তৃণমূল ওদের এক নম্বর শত্রু। বোধ বলে কিছু নেই। আবেগ, বিবেক নেই। ওখানে পুলিশ ঢুকতে দেয় না। সিসিটিভি লাগাতে দেয় না। যাদবপুর আতঙ্কপুর হয়ে গিয়েছে। আমি দুঃখিত, স্তম্ভিত। আমি সব জায়গায় গেলেও যাদবপুরে যাই না। ওরা পড়াশোনায় ভাল হতে পারে, কিন্তু শুধু পড়াশোনায় ভাল হলে হয় না। সবাই খারাপ না, পড়ুয়ারা ভাল। কিন্তু কয়েকটা আগমার্কা সিপিএম আছে। তাঁরা মনে করে নতুন ছেলেমেয়েরা গ্রামবাংলা থেকে আসলেই অত্যাচার করা অধিকার, জামাকাপড় খুলে নিচ্ছে। লজ্জা নেই”।
মমতার নির্দেশে যাদবপুরের নিহত ছাত্রের বাড়িতে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল




