উন্নয়নের জোয়ারে ভাসতে তৃণমূলের দুয়ারে ৮ বিজেপি বিধায়ক, ৫ সাংসদ!

উন্নয়নের জোয়ারে ভাসতে তৃণমূলের দুয়ারে ৮ বিজেপি বিধায়ক, ৫ সাংসদ!
উন্নয়নের জোয়ারে ভাসতে তৃণমূলের দুয়ারে ৮ বিজেপি বিধায়ক, ৫ সাংসদ!

নজরবন্দি ব্যুরো: উন্নয়নের জোয়ারে ভাসতে তৃণমূলের দুয়ারে একাধিক বিজেপি সাংসদ-বিধায়ক! তৃণমূল সূত্রে খবর কমপক্ষে ৮ জন বিজেপি বিধায়ক এবং ৫ জন সাংসদ যোগ দিতে চেয়েছেন ঘাসফুল শিবিরে। যদিও তাঁদের এখনই দলে নেওয়া হবে কিনা তা নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত দল। যদিও শেষ সিদ্ধান্ত নেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ কিছুটা আশার আলো, রাজ্যে নিম্নমুখী দৈনিক সংক্রমণের গ্রাফ ।

২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি রাজ্যে ৭৭ টি আসনে জয়ী হয়েছে। এদিকে জয়ী হওয়ার পর নিজেদের সাংসদ হিসেবে লোকসভায় ধরে রাখতে নব নির্বাচিত দুই বিধায়ক, নিশীথ প্রামাণিক এবং জগন্নাথ সরকার ইস্তফা দিয়েছেন বিধায়ক পদ থেকে। এই মুহুর্তে বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ৭৫। এই ৭৫ জনের মধ্যে ৮ জন ইতিমধ্যেই তৃণমূলের সাথে যোগাযোগ করেছেন বলে খবর। যদিও এই বিষয় নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে বিজেপি।

অন্যদিকে দলত্যাগীদের মনিটরিংয়ের নিদান দিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। তিনি সাফ জানালেন, আগামী ৬ মাস দলে এন্ট্রি পাবেন না কেউ। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য,তৃণমূল কংগ্রেস একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বহু পুরনো সৈনিককে টিকিট দেয়নি। বরং একাধিক নতুন মুখেই ভরসা রেখেছিল দল। যার ফলে প্রকাশ্যে চলে এসেছিল অন্তর্কলহ। বহু সক্রিয় তথা প্রথম সারির নেতা-কর্মী ফুল বদলে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে।

তবে পরবর্তীকালে তাঁদের মধ্যে অধিকাংশই টিকিট বদলেও সুবিধা করতে পারেননি। বিজেপিও ভোটে লড়ার সুযোগ দেয়নি তাঁদের। এরপর তৃণমূল বিপুল ভোটে জয় লাভ করার পর স্বাভাবিক ভাবে অনেকেই তাঁদের ভুল বুঝেছেন। সম্প্রতি সোনালী গুহ, অমল আচার্যর মতো নেতারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সান্নিধ্য পাওয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে উঠেছেন। উন্নয়নের জোয়ারে ভাসতে তৃণমূলের দ্বারস্থ তারাই যারা কিছুদিন আগে মানুষের জন্যে কাজ করতে বিজেপি তে গিয়েছিলেন!

কিন্তু তৃণমূলের তরফে সেভাবে কিছু জানানো হয়নি এবিষয়ে। ফলে দলত্যাগীরা ফের দলে ফিরতে পারবেন কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা ছিলই। রবিবার এবিষয়ে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, “আমাকে অনেকেই রোজ ফোন করছেন।কিন্তু দলবদলুদের এখনই ঘরে ফেরানো উচিত নয় বলেই আমার মনে হয়। এতে যারা দলের জন্য লড়ে গিয়েছেন তাঁদের মনোবল ভেঙে যাবে।” অন্যদিকে তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেছেন বিজেপির যে সমস্ত বিধায়ক এবং সাংসদরা তৃণমূলে যোগ দিতে চাইছেন তাঁদের দলে নেওয়া হবে কিনা তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here