নজরবন্দি ব্যুরো: নিয়োগ দুর্নীতিতে তোলপাড় রাজ্য! কোটি কোটি টাকা উদ্ধারের পাশাপাশি দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছে তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতাদের। দুর্নীতির অভিযোগে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার জালে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, তৃণমূলের যুবনেতা কুন্তল ঘোষ, মানিক ভট্টাচার্য সহ তাঁর ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডল কেও। আর অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা কুন্তলকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই উঠে আসে তাপস মণ্ডল, গোপাল দলপতি, কালীঘাটের কাকুর মতো কয়েকজনের নাম। সব মিলিয়ে পঞ্চায়েত ভোটের আগেই বিপাকে শাসক শিবির!



এহেন আবহে ফের অস্বস্তি বাড়ল ঘাসফুল শিবিরে! এবার ইডির চার্জশিটে নাম রয়েছে রাজ্যের বর্তমান শিক্ষা সচিব মনীশ জৈনের। আর যার জেরেই শোরগোল ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। ইডি সূত্রের খবর, নিয়োগ দুর্নীতিতে যুক্ত ছিলেন শিক্ষা সচিব। ছাত্র-ছাত্রীদের ইন্টারভিউ আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন মনীশ জৈন। যদিও এই অভিযোগ মানতে রাজি নন শিক্ষা সচিব মণীশ জৈন। এপ্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় কখনওই তাঁকে কোনও ইন্টারভিউ আয়োজন করার কথা বলেননি।



অন্যদিকে, আরও এক শিক্ষা দফতরের কর্তার নাম জড়িয়েছে নিয়োগ দুর্নীতিতে! তিনি হলেন, সুকান্ত আচার্য। যদিওবা দুর্নীতিতে সুকান্ত আচার্যের কোনও ভূমিকা ছিল কি না, তা জানেন না বলেই জানিয়েছে মনীশ জৈন। তবে নিজের নাম জড়ানোর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “খুবই দুর্ভাগ্যজনক! আমার কাছে এই ঘটনা চরম অপমানের। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় কখনওই আমাকে কোনও দিন কোনও ইন্টারভিউ আয়োজন করতে বলেননি। সুকান্তর মাধ্যমে কিছু হয়েছে কি না আমি বলতে পারব না। আমি কখনই এই সবের মধ্যে ছিলাম না। এটা আমার কাছে অবাক করার বিষয়ে।
ফের শাসক শিবিরে অস্বস্তি, শোরগোল রাজনৈতিক মহলে

প্রসঙ্গত, গত বছরেই নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই মনীশ জনকে নিজাম প্যালেসে তলব করেছিল। এসএসসি নিয়োগ সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটি গঠন নিয়ে জেরা করা হয়েছিল তাঁকে।







