নজরবন্দি ব্যুরোঃ পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা এখন শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা। এমত অবস্থায় সমস্ত প্রস্তুতি শুরু করে দিল বাংলার শাসক দল তৃণমূল। একের পর এক জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করে বিশেষ বার্তা দিচ্ছেন তিনি। এরই মধ্যে ২০ এপ্রিল হুগলি জেলা তৃণমূল নেতৃত্বকে নিয়ে বৈঠক বসতে চলেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। কুন্তল-শান্তনুদের গ্রেফতার ও জেলাজুড়ে অশান্তির আবহ নিয়ে বিশেষ বার্তা দিতে পারেন জেলা নেতৃত্বকে। তবে সেদিনের বৈঠক তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় উপস্থিত থাকবেন কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
আরও পড়ুনঃ BJP: দলীয় কার্যালয়ের সামনেই কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি! বিজেপির জন্মদিবসে তুমুল উত্তেজনা
তৃণমূল সূত্রে খবর, ২০ তারিখ দুপুর ২ টো নাগাদ হুগলি জেলার গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের কালীঘাটে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে হবে বৈঠক। বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেন হুগলি জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা ফিরহাদ হাকিম।

সম্প্রতি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় হুগলির বলাগড়ের দুই নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কুন্তল ঘোষের নাম যুক্ত হয়েহে। তাঁদের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে তৃণমূল। শান্তনু ছিলেন হুগলি জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ। আর কুন্তল ছিলেন যুব সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক। তাঁদের গ্রেফতারির পর এই প্রথমবার হুগলির জেলা নেতৃত্বদের নিয়ে এককভাবে বৈঠক করবেন মমতা।
কুন্তল-শান্তনুদের গ্রেফতার ও জেলাজুড়ে অশান্তির আবহ, গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মমতা

সূত্রের খবর, একইসঙ্গে সাম্প্রতিককালে রিষড়ায় ঘটে যাওয়া ঘটনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী দলীয় নেতাদের বিশেষ বার্তা দিতে চলেছেন। তবে বিশেষ গুরুত্ব দিতে সংখ্যালঘু ভোট এবং ফুরফুরা শরিফ নিয়ে বিশেষ জোর দিতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্প্রতি ফুরফুরা শরিফ উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে ফিরহাদকে সরিয়ে আদি সপ্তগ্রামের বিধায়ক তপন দাশগুপ্তকে দায়িত্ব দেন মমতা। বারবার ফুরফুরায় গিয়ে তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব ঘোচাতে মরিয়ে হয়ে ওঠেন তিনি। এবার বৈঠকে দলনেত্রী কী বার্তা দেবেন? এখন সেটাই দেখার।



