ছাত্র আন্দোলন ক্রমেই রুপ নিয়েছে ধর্মীয় আন্দোলনে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দেশ ত্যাগের পরেই রীতিমতো অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ। চরম অরাজকতা তৈরি বাংলাদেশে। একের পর জালীয়ে দেওয়া হচ্ছে প্রশাসনিক ভবন থেকে শুরু করে পুলিশ স্টেশন। সেই সঙ্গে হামলা চালানো হচ্ছে সে দেশের সংখ্যালঘুদের অপর। এই পরিস্থিতিতে বাংলায় অনুপ্রবেশের আশঙ্কাও করা হচ্ছে। তাই সীমান্তবর্তী এলাকা নিয়ে নবান্নে জরুরি বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী সহ মুখ্যসচিব,স্বরাষ্ট্র সচিব এবং ডিজিও।
বাংলাদেশের অস্থিরতার পরিস্থিতি তৈরির পর থেকেই রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সীমান্তের অশান্তি পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই নবান্নে জরুরি বৈঠকে বসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই কারণেই রাজ্যেই ডিআইজি সহ একাধিক উচ্চপদস্থ কর্মচারী কে রাজ্যের সীমান্তবর্তী এলাকার থানা গুলি থেকে একটি রিপোর্ট জমা করার নির্দেশ দিয়েছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।


সাধারনত সীমান্তবর্তী এলাকার দায়িত্বে থাকেন বিএসএফের জাওয়ান। তাসত্বেও এই সীমান্তবর্তী এলাকার গ্রাম গুলিতে অনুপ্রবেশের কারণে যাতে কোন রুপ অশান্তি না ছড়িয়ে পরে সেই ব্যপারে রাজ্য পুলিশকেও সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। এমনকি গতকাল দিল্লিতে সরব দলীয় বৈঠকে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে উপস্থিত ছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের কেন্দ্রের কাছে দাবি রাখা হয়, যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে যেন রাজ্যের সাথে আলোচনা করা হয়।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের অশান্তির ফলে সবথেকে বেশি প্রভাব পড়তে বাড়ে পশ্চিমবঙ্গেই। তাঁর কারণ বাংলাদেশের সঙ্গে প্রায় ২০০০ কিলোমিটার সীমান্ত ভাগ করেছে বাংলা। আর তাই বাংলাদেশের দ্বিতীয় পর্যায়ের অশান্তির শুরুর পর থেকেই বার বার মুখ্যমন্ত্রী বাংলার প্রশাসন থেকে শুরু করে সধারন মানুষ দের সতর্ক করে এসেছেন। এমনকি সমাজ মাধ্যমে যাতে কোন সাম্প্রদায়িক পোস্ট না করা হয় সে বিষয়েও সতর্ক করেছেন।









