সন্দেশখালির পর এবার ভূপতিনগর। ইডির পর এবার এনআইএ। তিন মাসের মাথায় ফের রাজ্যে আক্রান্ত কেন্দ্রীয় এজেন্সি। সূত্রের খবর, ভূপতিনগর বিস্ফোরণ মামলার তদন্তে গিয়ে এনআইএ আধিকারিকরা হামলার শিকার হন। গাড়ির কাচ ভেঙে দেওয়া হয় বলে দাবী তদন্তকারীদের। গত ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালিতে কী ঘটেছিল, তা মনে আছে সকলেরই। শেখ শাহজাহানের বাড়িতে যাওয়ার পথে আক্রান্ত হতে হয়েছিল ইডি আধিকারিকদের। এবার ভোটের মুখে সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হল পূর্ব মেদিনীপুরের ভূপতিনগরে।

আরও পড়ুন : আরও কড়া নির্বাচন কমিশন, ১০০ শতাংশ বুথেই হবে ‘ওয়েব কাস্টিং’
ফের আক্রান্ত কেন্দ্রীয় সংস্থা। তৃণমূল কর্মীকে আটক করতে গিয়ে আক্রান্ত হতে হল তারা। আর এই ঘটনায় কার্যত হামলাকারীদের পাশেই দাঁড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘মাঝরাতে গ্রামে অচেনা কাউকে দেখলে গ্রামবাসীরা যেটা করে থাকেন, এনআইএ-র লোকজনের সাথেও গ্রামবাসীরা সেটাই করেছেন। ভোটের মুখে কেন ওরা লোকজনকে গ্রেফতার করছে? বিজেপি কী ভেবেছে, ওরা সব বুথ এজেন্টদের গ্রেফতার করে নিয়ে চলে যাবে? এনআইএর কী অধিকার আছে? ওরা বিজেপিকে সাহায্য করতেই এমন কাজ করছে।আমরা গোটা বিশ্বের মানুষের কাছে বিজেপির এই নোংরা রাজনীতির বিরুদ্ধে সরব হওয়ার আবেদন করছি।’ আজ রায়গঞ্জে এই ঘটনা প্রসঙ্গে মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী।

ভূপতিনগর আর সন্দেশখালি এক নয়, রায়গঞ্জে নির্বাচনী প্রচারে বললেন মমতা
জানা যাচ্ছে, ২০২২ সালের ভূপতিনগর বিস্ফোরণের ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে নোটিস পাঠিয়েছিল এনআইএ। এই প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষ সমাজমাধ্যমে লেখেন, ‘ভূপতিনগরের ঘটনা অনভিপ্রেত। কিন্তু, এর পেছনে বিজেপির রাজনীতি ও প্ররোচনা। যেহেতু মানুষ জানেন যে বিজেপি নেতারা এনআইএ-র সঙ্গে দেখা করে তৃণমূল কর্মীদের তালিকা দিয়ে এসেছিলেন, তাই সবাই চক্রান্তটা জানেন। এটা স্বতঃস্ফূর্ত ক্ষোভ। আদালতকে সামনে রেখে তৃণমূল কর্মীদের মিথ্যা অভিযোগে এনআইএ-কে দিয়ে এলাকা থেকে সরাতে চাইছে বিজেপি। মানুষ বাধ্য হয়ে প্রতিবাদ করেছেন। বিজেপি পরিকল্পিতভাবে গোলমাল করাতে চাইছে।’ এই প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “ভারত বিরোধী মুখ্যমন্ত্রী দেশ পেয়েছে কি না সন্দেহ। আমরা বাংলাকে বাংলাদেশ বানাতে দেব না।”



