সন্দেশখালির পর এবার ভূপতিনগর। ইডির পর এবার এনআইএ। তিন মাসের মাথায় ফের রাজ্যে আক্রান্ত কেন্দ্রীয় এজেন্সি। সূত্রের খবর, ভূপতিনগর বিস্ফোরণ মামলার তদন্তে গিয়ে এনআইএ আধিকারিকরা হামলার শিকার হন। গাড়ির কাচ ভেঙে দেওয়া হয় বলে দাবী তদন্তকারীদের। গত ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালিতে কী ঘটেছিল, তা মনে আছে সকলেরই।



আরও পড়ুন : অবশেষে প্রার্থীতালিকা ঘোষণা বামেদের, কোন কেন্দ্রে দেওয়া হল কাকে?
শেখ শাহজাহানের বাড়িতে যাওয়ার পথে আক্রান্ত হতে হয়েছিল ইডি আধিকারিকদের। এবার ভোটের মুখে সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হল পূর্ব মেদিনীপুরের ভূপতিনগরে। ফের আক্রান্ত কেন্দ্রীয় সংস্থা। তৃণমূল কর্মীকে আটক করতে গিয়ে আক্রান্ত হতে হল তারা। জানা যাচ্ছে, ২০২২ সালের ভূপতিনগর বিস্ফোরণের ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে নোটিস পাঠিয়েছিল এনআইএ।



তাঁরা হাজিরা না দেওয়ায় আশপাশের গ্রামে তল্লাশিতে যান আধিকারিকরা। সেই তালিকাতেই ছিলেন তৃণমূল নেতা বাদল মাইতি। তাঁর বাড়িতে যাওয়ার পথেই এই ঘটনা বলে অভিযোগ। সূত্রের খবর, ভোর রাতে তল্লাশি চালাতে গেলে গ্রামবাসীদের একাংশ অফিসারদের ওপর আক্রমণ করে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গেও হয় ধস্তাধস্তি। রাতের অন্ধকারে ছোড়া হয় ইট, গাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয়।

‘মিনি সন্দেশখালি’ ভূপতিনগর, ইডির পর এবার আক্রান্ত NIA
প্রায় ৩-৪ জন অফিসারের সঙ্গে ছিল ২০-২৫ জনের কেন্দ্রীয় বাহিনী। ধস্তাধস্তির পরও বাদল মাইতিকে গ্রেফতার করে এনআইএ। মনোব্রত জানা নামে আরও এক স্থানীয় তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তৃণমূল দাবী করতে থাকে, ভোটের আগে এগুলো ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছু নয়। উল্লেখ্য, সম্প্রতি এনআইএ-কে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়।







