এবারের নির্বাচনে নজিরবিহীন আধাসেনা মোতায়েন করা হতে পারে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে চাওয়া হল ৯২০ কোম্পানি আধাসেনা। হিসাবের খাতিরে যা জম্মু-কাশ্মীরের থেকেও বেশী। যদিও প্রথম দফার ভোটে সেই হারে কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়া সম্ভব হবে কিনা তা নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়। এবার রাজ্যের সব বুথে ওয়েব কাস্টিং করার জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেওয়া হল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে।

আরও পড়ুন : সিঙ্গুরে ফিরছে টাটা! ভোট আবহে জারী দুই প্রার্থীর বাক-যুদ্ধ
ওয়েব কাস্টিং করার জন্য প্রত্যেকটি জেলায় ইন্টিগ্রেটেড কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। সেই কন্ট্রোল রুম মারফত রাখা হবে নজরদারি। বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা ও আলোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও কমিশনের ফুল বেঞ্চ যখন রাজ্যে এসেছিল তখন মাত্র ৫০ শতাংশ বুথে ওয়েব কাস্টিং নিয়ে আলোচনা হয়েছিল।কিন্তু তারপর নজিরবিহীন হিংসা হয় পঞ্চায়েত ভোটে।

ওয়েব কাস্টিং করা না গেলে সিসিটিভির মাধ্যমে করা হবে নজরদারি। প্রসঙ্গত রাজ্যে ইতিমধ্যেই এসেছেন বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক ও বিশেষ সাধারণ পর্যবেক্ষক। দফায় দফায় রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক তথা রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে ভোট প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠক করছেন তারা। কমিশন সূত্রে খবর, শনিবারেও গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসতে চলেছেন তাঁরা।

আরও কড়া নির্বাচন কমিশন, ১০০ শতাংশ বুথেই হবে ‘ওয়েব কাস্টিং’
মূলত, ওয়েবকাস্টিং হল ইন্টারনেটের মাধ্যমে “সম্প্রচার”। বৃহত্তম “ওয়েবকাস্টার” এর মধ্যে বিদ্যমান রেডিও এবং টিভি স্টেশনগুলি অন্তর্ভুক্ত, যারা অনলাইন টিভি বা অনলাইন রেডিও স্ট্রিমিংয়ের মাধ্যমে তাদের আউটপুট “সিমুলকাস্ট” করে, সেইসাথে ইন্টারনেট-কেবলমাত্র “স্টেশন” গুলির একটি ভিড়। ওয়েবকাস্টিং সাধারণত নন-ইন্টারেক্টিভ লিনিয়ার স্ট্রিম বা ইভেন্ট প্রদান করে।



