নজরবন্দি ব্যুরোঃ কলকাতা পুরসভার ১৪৪ টি ওয়ার্ডের নির্বাচনে সকাল থেকেই দফায় দফায় অভিযোগ উঠেছে শাসক দলের বিরুদ্ধে। কিন্তু ভোটের ফলাফলে তৃণমূলকেই এগিয়ে রাখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। কিন্তু কীসের বিচারে মমতা পরাজিত? কেন একথা বললেন সিপি(আই)এম সাংসদ বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য?
আরও পড়ুনঃ ‘ছোট ঘটনাকে বড় করে দেখানো হয়েছে’, পুরভোটের অশান্তি নিয়ে মন্তব্য মমতার!
এদিন বর্ষীয়ান রাজনীতিবীদ নিজের ফেসবুক পোস্টে লেখেন, মমতা পরাজিত। সংখ্যার বিচারে নয়। রাজনৈতিক নৈতিকতার ভিত্তিতে। যাঁরা ওর পক্ষে গলাবাজি করেন তাঁরাও কী নীতি নৈতিকতা বন্ধক রেখেছেন না বিসর্জন দিয়েছেন। সেটা নিয়েই ৭x২৪ ঘন্টা বিতর্ক হতে পারে। বিতর্ক হতে পারে বিপ্লব দেব না মমতা কে পাবে গণতান্ত্রিক ভোট ধ্বংসের শ্রেষ্ঠ শিরোপা।
আরও পড়ুনঃ শরীর একেবারেই অশক্ত, ভোট দিতে পারলেন না বুদ্ধবাবু। বার্তা পৌঁছে দিলেন মীরা দেবী।
সিপি(আই)এম নেতার এই বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গেছে। কারণ, তৃণমূল সুপ্রিমোর কথায় দু’একটা ঘটনা ছাড়া আর কিছু ঘটেনি৷ এমনকি বিরোধীরা নাটক করছে বলে কটাক্ষ করতে পিছপা হননি। ঠিক তার পরেই মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন বিকাশ বাবু।
উল্লেখ্য, রবিবার নির্বাচন শুরু হতেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভুরি ভুরি অভিযোগ তুলেছেন বিরোধীরা। এখানেই থেমে নেই, ভোট কারচুপি এবং এজেন্ট বসতে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ভোট চলাকালীন প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করেন বাম প্রার্থীরা। গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে আগামী দুই দিন নির্বাচন কমিশনের অফিস ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছে বাম নেতৃত্ব।
পরাজিত মমতা বন্দোপাধ্যায়, কেন? ব্যাখ্যা দিলেন বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য

তবুও তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবী, দলের একজন কর্মীর বিরুদ্ধে সিসিটিভি ফুটেজ তুলে ধরতে পারলে ২৪ ঘন্টার মধ্যে রাজ্য সরকার এবং তৃণমূল কড়া পদক্ষেপ নেবে। প্রশ্ন হল, পুর নির্বাচনে কোথাকার জল কোথায় গড়ায় সেটাই দেখার।



