নজরবন্দি ব্যুরোঃ কলকাতার ১৪৪টি ওয়ার্ডে ভোটগ্রহণ হল রবিবার। ২১ ডিসেম্বর ভোটের গণনা হবে। ২০২০ সালের মে মাসে কলকাতা পুরসভার নির্বাচিত পুরবোর্ডের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল। এরপর প্রায় দেড় বছর পার করে ভোট হল। বিক্ষিপ্ত আশান্তির মধ্যে ভট গ্রহন হল দিনভোর। বাম-বিজেপি-কংগ্রেস, রাজ্যের প্রত্যেক বিরোধী দলের গলাতেই ছিল তৃণমূলী সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ। যদিও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের দাবি, ‘ছোট ঘটনাকে বড় করে দেখানো হয়েছে’।
আরও পড়ুনঃ শরীর একেবারেই অশক্ত, ভোট দিতে পারলেন না বুদ্ধবাবু। বার্তা পৌঁছে দিলেন মীরা দেবী।
১৪৪টি ওয়ার্ড নিয়ে তৈরি কলকাতা পুর এলাকায় এ বার মোট ভোটার ছিলেন ৪০,৪৮,৩৫২ জন। ভোট গ্রহণের জন্য মোট ৪৯৫৯ টি বুথের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। যার মধ্যে ১১৩৯টি বুথকে ‘স্পর্শকাতর’ বলে চিহ্নিত করেছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কিন্তু স্পর্শ্বকাতর বুথ ছাড়াও কলকাতার ১৪৪ টি ওয়ার্ডেই সন্ত্রাস হয়েছে বলে দাবি বিজেপির। তাঁরা সব ওয়ার্ডেই পুনঃনির্বাচন চেয়েছে।
তবে বিজেপি তথা বিরোধীদের যাবতীয় অভিযোগ উড়িয়ে পুলিশ কে দরাজ সার্টিফিকেট দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। ভোট পরিচালনা নিয়েও সন্তোষ প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন। তিনি বলেন, বিরোধীদের অভিযোগ ভিত্তিহীন। ছোট ঘটনাকে বড় করে দেখানো হয়েছে। ভোট পরিচালনা এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা নিয়ে কলকাতা পুলিশের ভূমিকাকে কুর্নিশ জানান মমতা।
তাঁর কথায়, ‘উৎসবের মেজাজে ভোট হয়েছে। মানুষ শান্তিতে ভোট দিয়েছে। ভোটদানের হার সন্তোষজনক। চিন্তার কারণ নেই।’ এদিন ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডের মিত্র ইনস্টিটিউশনের বুথে ভোট দিতে আসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাথে ছিলেন এই ওয়ার্ডের তৃণমূল প্রার্থী তথা তাঁর ভাতৃবধূ কাজরী বন্দোপাধ্যায়।
‘ছোট ঘটনাকে বড় করে দেখানো হয়েছে’, পুরভোটের অশান্তি নিয়ে মন্তব্য মমতার!

সেখানে সাংবাদিকদের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “শান্তিপূর্ণ ভোট চলছে। মানুষ শান্তিতে ভোট দিয়েছে। উৎসবের মেজাজে মানুষ ভোট দিচ্ছেন।” বিরোধীদের তরফে, বিশেষ করে বিজেপির থেকে সকাল থেকে যে অভিযোগগুলি করা হচ্ছে, সেই প্রসঙ্গে মমতাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “ভোটে লড়তে পারছে না। তাই এখন নাটক করছে। ও সব ইগনোর করুন।”



