পদে থাকার যোগ্যতা হারিয়েছেন মমতা, বিধায়ক ‘হত্যাকাণ্ডে’ বিস্ফোরক সুজন

পদে থাকার যোগ্যতা হারিয়েছেন মমতা, বিধায়ক ‘হত্যাকাণ্ডে’ বিস্ফোরক সুজন

নজরবন্দি ব্যুরো: পদে থাকার যোগ্যতা হারিয়েছেন মমতা, মুখ্যমন্ত্রী বা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদে থাকার যোগ্যতা হারিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হেমতাবাদের বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ রায়ের রহস্য মৃত্যু নিয়ে এই ভাবেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে আক্রমণ শানালেন সুজন চক্রবর্তী। এদিন হেমতাবাদের বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ রায়ের ঝুলন্ত মৃত দেহ উদ্ধার হয়। রায়গঞ্জ থানার বিন্দোল গ্রাম পঞ্চায়েতের বালিয়াদিঘী গ্রামে বাড়ির কাছেই এক বন্ধ দোকানের বারান্দা থেকে উদ্ধার হয়েছে তাঁর ঝুলন্ত দেহ। পরিবার অভিযোগ করেছে, তাঁকে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ বিধায়কের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হেমতাবাদে; পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ

এই দেবেন রায় কয়েকদিন আগেই সিপিআই(এম) ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। জানা গিয়েছে, এদিন রায়গঞ্জ ব্লকের বালিয়াদিঘীর একটি বন্ধ দোকানের বারান্দায় বিধায়কের ঝুলন্ত মৃতদেহ প্রথমে দেখতে পান এলাকার লোকজন। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই গোটা এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। এলাকায় জনপ্রিয় বিধায়কের মৃত্যুর খবর শুনেই তাকে দেখতে কয়েক হাজার মানুষ ছুটে আসেন। প্রবল বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে ছিল আমজনতা। এলাকায় আসে রায়গঞ্জ থানার বিশাল পুলিশবাহিনী। বিধায়কের স্ত্রী চাদিমা রায় বলেন, ‘আমার স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। যারা খুন করেছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি আমরা জানাচ্ছি।’ এলাকার মৃতদেহ উদ্ধার করতে গেলে রীতিমতো বিক্ষোভ মুখে পড়তে হয় পুলিশকে।

সুজন চক্রবর্তী এদিন বলেছেন, “রাজ্যে দুজন বিধায়কের হত্যা হয়েছে, একাধিক জন প্রতিনিধি আক্রান্ত হয়েছেন একাধিকবার। স্বরাষ্টমন্ত্রী হিসেবে সম্পূর্ণ ব্যার্থ হয়েছেন মমতা। অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত। পদে থাকার যোগ্যতা হারিয়েছেন মমতা।” পাশাপাশি তিনি আরও বলেন “সকাল থেকে বিধায়কের মৃত্যুকে আত্মহত্যার নাম দেওয়ার চেষ্টা চলেছে, কিন্তু দেখে কোন ভাবেই মনে হয়না আত্মহত্যা। ছবি খুনের দিকেই ইঙ্গিত করে। তাই হত্যা না আত্মহত্যা জানতে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ তদন্ত করা হোক!” তিনি মনে করিয়ে দেন, “রাজ্যের পুলিশের ওপর কারও ভরসা নেই!”

সাবস্ক্রাইব করুন নজরবন্দির ইউটিউব চ্যানেল।

প্রাথমিক ভাবে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা চলে। পরে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয় তদন্তের জন্য সমস্ত প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যাবস্থা নিচ্ছেন তাঁরা। ঘটনাস্থলে পুলিশ কুকুর নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। ইতিমধ্যেই ফরেনসিক দলের বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছেন। পাশাপাশি পোস্ট মর্টেম করা হয়েছে মৃতদেহের। সাধারণ মানুষকে পুলিশের আবেদন অনুমানের ভিত্তিতে কিছু না ভেবে তদন্ত শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x