মালদহ দক্ষিণ লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী শাহনাওয়াজ আলি রায়হানের সমর্থনে সুজাপুরে সভা করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই কেন্দ্রটি কিন্তু ২০১৯ সালেও কংগ্রেসের দখলে আসে। মালদহ দক্ষিণ মানেই প্রয়াত কংগ্রেস নেতা গনি খান চৌধুরীর গড়। এদিন কংগ্রেসের জেতা আসনে দাঁড়িয়ে তাই হাত শিবিরকেই বার্তা দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
আরও পড়ুন: গাড়ি থেকে নামিয়ে দেন কল্যাণ, এবার সেই কাঞ্চনকে ঘাটালে প্রচার-আমন্ত্রণ দেবের!
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাফ বললেন, “ইন্ডিয়া জোটের নাম আমার দেওয়া। যে নাম শুনলে নরেন্দ্র মোদী থরথর করে কাঁপে। আমি কংগ্রেসকে বলেছিলাম, আপনারা সিপিআইএমের সঙ্গে জোট করবেন না। আপনাদের ২টো আসন আমরা ছাড়ব। কিন্তু আমার সেই কথা ওরা শোনেনি।”

প্রয়াত গনি খান চৌধুরীকে স্মরণ করে তৃণমূল সুপ্রিমোর আরও সংযোজন, “বরকত’দাকে শ্রদ্ধা করি। কংগ্রেসকে অনেকবার ভোট দিয়েছেন। কিন্তু, বারবার কেন? আমরাও তো মৌসম নুরকে জিতিয়ে এনেছিলাম। কিন্তু সংসদে গিয়ে কি করল? মহুয়া মৈত্রকে দেখুন। মোদীর বিরুদ্ধে কথা বলত তাই ওকে সাসপেন্ড করেছে।”

বামেদের সঙ্গে জোট না করলে কংগ্রেসকে ক’টা আসন ছাড়ত তৃণমূল? জানালেন মমতা
মালদহ দক্ষিণে ২০১৯ জিতে সাংসদ হন আবু হাসেম খান চৌধুরী। বহরমপুরের পাশাপাশি এই আসনটিও ধরে রাখে কংগ্রেস। এবার সেখানে ইশা খান চৌধুরীকে প্রার্থী করেছে হাত শিবির। বিজেপির তরফে প্রার্থী শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী। যিনি আগের বার মাত্র ৮ হাজার ভোটে হেরে যান। তৃণমূল সেবারও তৃতীয় স্থানে ছিল। ৭ মে মালদহ দক্ষিণে ভোট। এবার ফলাফল কী হয় সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।




