নজরবন্দি ব্যুরোঃ গত ১৪ জুলাই ‘বঙ্গবিভূষণ’ ও ‘বঙ্গভূষণ’ প্রাপকদের তালিকা প্রকাশ করেছে রাজ্য সরকার। তাঁদের সম্মাননা প্রদানের জন্য সোমবার নজরুল মঞ্চে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেই মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা তীব্র আক্রমন করলেন বিরোধীদের, ‘‘ভোগ করার জন্য আমি রাজনীতি না। আমি মনে করি, ত্যাগ করা রাজনীতি করা উচিত।’’
আরও পড়ুনঃ পার্থর জন্যে খারাপ খবর, ‘তেমন কিছু হয়নি’ বলে ইডির হাতে মন্ত্রীকে তুলে দিল AIIMS


এদিন মমতা বলেন, ‘‘ভোগ করার জন্য আমি রাজনীতি না। আমি মনে করি, ত্যাগ করা রাজনীতি করা উচিত। ভোগ করার জন্য সারাজীবন রাজনীতি করিনি। আমার ধারণা ছিল, রাজনীতি মানে ত্যাগ। কিন্তু বলুন তো, সবাই কি এক? পার্থক্য তো থাকবেই। অন্যায়কে সাপোর্ট আমি করি না। দুর্নীতিকে সাপোর্ট করা আমার জীবনের নেশাও নয়, পেশাও নয়।’’

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, হল সিপিএম আমলে আর ধরল আমাদের লোককে! তাঁর প্রশ্ন, ১০০ টা চাকরি হলে ১টা নিজের লোককে দেবেন? এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেউ যদি জেনেশুনে অপরাধ করে থাকেন, তাহলে তাঁর যাবজ্জীবন সাজা হলেও আমার আপত্তি নেই। কিন্তু বাচ্চা জন্মানোর আগেই অন্নপ্রাশনের তারিখ ঠিক হয়ে যাচ্ছে। এরপরই পার্থর বাড়িতে ইডি হানা এবং অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে টাকা উদ্ধারের প্রসঙ্গে মমতা বলেন, তদন্ত সবে শুরু হয়েছে। এটা ট্র্যাপও হতে পারে।



মমতা সাফ জানান, তদন্তে দল ও সরকার কোনভাবেই হস্তক্ষেপ করবেন না। অন্যায় করলে শাস্তি হবে। তৃণমূল কোনভাবেই অন্যায় কে বরদাস্ত করেনা। তৃণমূল একটা ট্রান্সপারেন্ট দল। তাঁর কথায়, ‘জেনে শুনে আমি কোনও দিন কাউকে অন্যায় করতে দিইনি। ভুল করার অধিকার আমার রয়েছে। অজ্ঞানে করলে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া উচিত। কিন্তু জ্ঞানত করা অপরাধ। আমি চাই, সত্য সামনে আসুক।’
‘এটা ট্র্যাপও হতে পারে, ১০০ টা চাকরি হলে ১টা নিজের লোককে দেবেনা?’ প্রশ্ন মমতার

তাঁর কথায়, ‘সত্য প্রমাণ হলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিন। আমার কোনও আপত্তি নেই। আমার ছবির সঙ্গে টাকার পাহাড়ের ছবি দিয়ে কুৎসা রটাচ্ছে বিরোধীরা। কয়েকটি রাজনৈতিক দলের আচরণে আমি সত্যিই দুঃখিত। আমি পুজোয় যাই। অর্গানাইজাররা যদি কাউকে স্টেজে আগে থেকে ডেকে রাখে, তাতে আমি কী করতে পারি।’







