নজরবন্দি ব্যুরো: মগরাহাটের তৃণমূলের জয়ী পঞ্চায়েত প্রার্থীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হল। মৃত তৃণমূল প্রার্থীর নাম মৈমুর ঘরামি। মৈমুরকে বাঁচাতে গিয়ে তাঁর সঙ্গী শাহজাহান মোল্লাও গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় তৃণমূলের অভিযোগের তির সিপিএমের দিকে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে সিপিএম।
আরও পড়ুন: মোদীর সঙ্গে একমঞ্চে শরদ! INDIA-র কপালে ভাঁজ বাড়ালেন পাওয়ার?


জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাত্রে কাজ থেকে বাইকে করে বাড়ি ফিরছিলেন নিহত তৃণমূল প্রার্থী মৈমুর ঘরামি। এমন সময় তাঁর ওপর চড়াও হয় কয়েকজন দুষ্কৃতী। প্রথমেই এলোপাথারি গুলি চালানো হয়। কিন্তু গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে মৈমুরের গায়ে না লেগে তাঁর সঙ্গী শাহজাহানের গায়ে লাগে। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। এরপরেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হউয় মৈমুরকে। মৈমুরের খুনের ঘটনায় কান্নায় ভেঙে পড়েছে পরিবার।

মৈমুরকে খুনের ঘটনায় সিপিএমের চার জনকে গ্রেফতার করেছে মগরাহাটের পুলিশ। কিন্তু ঠিক কী কারণে খুন হতে হল মৈমুরকে তা এখনও প্রমাণিত নয়। উঠে আসছে নানান কারণ। কেউ মনে করছেন, পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠনের জন্যই তৃণমূল নেতাকে খুন করেছে সিপিএম। আবার আরেকটি সূত্রের খবর, জমিজমার ব্যবসা ছিল মৈমুরের, সেই জমি সংক্রান্ত বিবাদের জেরেই তাঁকে খুন করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য রয়েছে। গোটা গ্রামে টহলদারি চালাচ্ছে পুলিসের বিশাল ফোর্স।



প্রসঙ্গত, মগরাহাট গ্রাম পঞ্চায়েতে ২৭টি আসন রয়েছে। পঞ্চায়েতের মোট ২৭টি আসনের মধ্যে ১৩টি পায় তৃণমূল। আর বিজেপি ও সিপিআইএম ৬টি করে আসন পায়। আর নির্দল পায় ২টি আসন। অর্জুনপুর-বাদামতলা আসনে দাঁড়িয়েছিলেন মৈমুর ঘরামি। ভোটে জয়লাভও করেন তিনি। দলের তরফে একরকম ঠিকই হয়ে গিয়েছিল যে, পঞ্চায়েতে উপপ্রধান হবেন মৈমুর ঘরামি। কিন্তু, তার আগেই খুন হতে হল তাঁকে।

এই ঘটনায় তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিম বলেছেন, ‘সিপিএমের হার্মাদরা এখন বিজেপিতে যোগ দিয়েছে, এই কাজ তাঁদের’। যদিও মগরাহাটের সিপিএম নেতৃত্বের তরফে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তাঁদের কথায়, গণতান্ত্রিকভাবে লড়াইয়েই বিশ্বাস করে সিপিএম, এই ধরনের খুন জখমের রাজনীতি করার কোনও ইচ্ছে তাঁদের নেই।
মগরাহাটে খুন তৃণমূলের জয়ী প্রার্থী, অভিযোগের তির সিপিএমের দিকে
![]()







