নজরবন্দি ব্যুরোঃ ফের কামারহাটি জয় করেও মন্ত্রীপদ পেলেন না মদন মিত্র, কিছুটা হতাশ অনুগামীরা। নিজেই বলেছেন তিনি রাজনীতির ‘প্লেবয়’। রাজনীতির ময়দানের সাথেই সোশ্যাল মিডিয়াতেও তিনি সমান জনপ্রিয়। এহেন মদন মিত্র এবারের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল সরকারে কামব্যাক ঘটিয়েছেন। কামারহাটি থেকে প্রায় ৩৫০০০ ভোটে বিজেপির রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে ফের বিধানসভায় ফিরেছেন সকলের প্রিয় মদন দা।
আরও পড়ুনঃ উপস্থিত ভাবী মন্ত্রীরা, রাজভবনে সম্পন্ন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নয়া মন্ত্রীসভার শপথগ্রহণ।


ভোটে জেতার পর থেকেই অনুগামীরা আশা করেছিলেন বিধায়ক পদে কামব্যাক করার পর এবার মন্ত্রীপদেও কামব্যাক করতে চলেছেন মদনবাবু। তবে শেষ পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নবনির্মিত মন্ত্রীসভায় ঠাই হয়নি তাঁর। প্রসঙ্গত, ২০১১ সালে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর মদন মিত্র প্রথমে ক্রীড়া দপ্তরের মন্ত্রীর দায়িত্ব পান। পরে ক্রীড়ার সঙ্গে দায়িত্ব পান পরিবহণ দপ্তরেরও। ক্রীড়া এবং পরিবহণ দুই দপ্তরেই দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করার অভিজ্ঞতা রয়েছে মদন মিত্র। কিন্তু মাঝে সারদা কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ায় তাঁর। ফলে মন্ত্রীর পদ ছাড়তে বাধ্য হন। পরে সারদা কাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে সিবিআই তাকে গ্রেপ্তার করে। জেলেও কাটাতে হয় কয়েক বছর। জেলে থাকা অবস্থায় তিনি ২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনে কামারহাটি থেকে ভোটে লড়াই করেন।
কিন্তু অল্প ভোটে সেই সময় সিপিএমের দাপটে নেতা মানস মুখার্জির কাছে হার স্বীকার করতে হয় মদন মিত্রকে। তবে ২১’শের নির্বাচনে ফের কোমর বেঁধে লরাইয়ে নামেন তিনি। ফলও মেলে হাতেনাতে। নিজের কেন্দ্রে ফের জেতেন মদন বাবু। তারপরেই অনুগামীরা আশা করেছিল পরিবহণ দপ্তরের মন্ত্রী হয়তো মদনদাই হবেন। কারন শুভেন্দুর ছেড়ে যাওয়া পদ সামলাতেন মদন বাবুই। তবে মন্ত্রীত্ব না পাওয়ায় অনুগামীরা কিছুটা হতাশ হলেও কুছ পরোয়া নেই মদনবাবুর। তিনি এখন কামারহাটি এলাকায় কোভিড মোকাবিলার কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। আর আগের মতোই সমস্ত কাজের লাইভ আপডেট তিনি ফেসবুক লাইভে এসে দিয়ে যাচ্ছেন।
ফের কামারহাটি জয় করেও মন্ত্রীপদ পেলেন না মদন মিত্র, কিছুটা হতাশ অনুগামীরা। মদন মিত্রর অনুগামীদের কথায়, “দাদা কামারহাটিতে ভোটে জিতছেন তা ঠিক কিন্তু ফেসবুকের মাধ্যমে দাদা সবার হৃদয় জিতে নিয়েছেন। তাঁরা অপেক্ষায় রয়েছেন দিদির দ্বিতীয় মন্ত্রীসভা সম্প্রসারণে যদি দাদার জায়গা হয়।” সম্প্রসারিত মন্ত্রীসভায় মদনের জায়গা হয় কিনা তা সময় বলবে তবে আপাতত এসব ভুলে মানুষের সেবার কাজেই মন দিতে চান তিনি।









