সামনেই লোকসভা নির্বাচন (Loksobha Election 2024)। আগামী সপ্তাহের মধ্যে ঘোষণা হয়ে যাবে পরীক্ষার সময়সূচী। কিন্তু আচমকা শনিবার ইস্তফা দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (Election Commissioner) অরুণ গোয়েল। ইস্তফা দেওয়ার পর চব্বিশ ঘণ্টা কেটে গেলেও তার স্বেচ্ছাবসরের কারণ নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি। অন্যদিকে, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি আর এক নির্বাচন কমিশনার অনুপ চন্দ্র পাণ্ডে ৬৫ বছর বয়সে অবসর নেন।
আরও পড়ুন: প্রার্থীর নাম ঘোষণা পরেই উত্তরবঙ্গ সফরে মমতা
নির্বাচন কমিশনের এই দুই শূন্য পদে নতুন কমিশনার নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হবে আগামী সপ্তাহে। এর মধ্যেই আবার কেন্দ্র সরকারের নির্বাচন কমিশনার (Election Commissioner) নিয়োগের পরিবর্তিত পদ্ধতির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মামলা উঠেছে সুপ্রিম কোর্টে। ফলে, আগামী ২০ মার্চের আগে নতুন কমিশনারের নিয়োগ সম্পন্ন হওয়া কার্যত অসম্ভব বলেই মনে করছে ওয়াকিবহল মহল। সেক্ষেত্রে এক থেকে দেড় সপ্তাহ পিছিয়ে যেতে পারে লোকসভা ভোট (Loksobha Election 2024)!

গত লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘন্ট প্রকাশিত হয় ১০ মার্চ। সাত দফার ভোট প্রক্রিয়ার প্রথম দফার ভোট গ্রহণ হয় ১১ এপ্রিল। শেষ দফার ভোট হয় ১৯ মে। ফলপ্রকাশ হয় ২৩ মে। আর এবার কথা ছিল, ১৩-১৫ মার্চের মধ্যে ভোটের নির্ঘন্ট প্রকাশ হবে। সেক্ষেত্রে নতুন কমিশনার নিয়োগ হতে হতে ২০ মার্চ। অর্থাৎ, তারপরেই নির্ঘন্ট প্রকাশ হবে।

তবে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার নিজেও ভোটের নির্ঘন্ট প্রকাশ করতে পারেন। কিন্তু তা তিনি না-ও করতে পারেন। শূন্য দুই পদে কমিশনার নিয়োগের পর বৈঠকের মাধ্যমেই ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করবে কমিশন।
এই মুহূর্তের বড় খবর, পিছিয়ে যেতে পারে লোকসভা ভোট! নেপথ্যে কী কারণ?
অন্যদিকে, গত ১৫ ফেব্রুয়ারী সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চ ঐতিহাসিক রায়ের মাধ্যমে ঘোষণা করেন নির্বাচনী বন্ড অসাংবিধানিক। এই আবহে ৬ মার্চের মধ্যে নির্বাচনী বন্ড (Electoral Bond) নিয়ে যাবতীয় তথ্য জমা করতে নির্দেশ করা হয়েছিল স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়াতে। সোমবার শীর্ষ আদালতের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আগামীকাল অর্থাৎ ১২ মার্চের মধ্যে নির্বাচনী বন্ড (Electoral Bond) সংক্রান্ত তথ্য নির্বাচন কমিশনকে (Election Commission) দিতে হবে স্টেট ব্যাঙ্ককে (SBI)।




