নজরবন্দি ব্যুরো: মেট্রোর পর এবার লোকাল। পুজোর আগেই চলবে রাজ্যের লাইফ লাইন। কলকাতায় ১৪ ই সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে মেট্রো পরিষেবা । তবে মেট্রো চালু হলেই এখন সবাই মেট্রোতে চড়ার সুযোগ পাবেন না। মেট্রোতে তারাই চড়তে পারবেন যাদের কাছে রয়েছে স্মার্ট কার্ড। টিকিট কেটে বা টোকেন কিনে চড়া যাবে না মেট্রোরেল। এদিকে লোকাল ট্রেন চলা নিয়েও বড় খবর সামনে এল।
আরও পড়ুনঃ লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত স্বামী অগ্নিবেশ। #BreakingNews


মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা মত রাজ্য সরকার লোকাল ট্রেন ও মেট্রো চালাতে চায় বলে চিঠি দেন রেল বোর্ডের চেয়ারম্যানকে। রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় কয়েকদিন আগে চিঠিতে জানান, লোকাল ট্রেন ও মেট্রো চালাতে রাজ্য সরকার আগ্রহী।
Unlock 4 – এর গাইডলাইনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক মেট্রো পরিষেবা শুরুর অনুমতি দিয়েছে। মেট্রো না চলায় যাত্রীদের পুরো ভারটাই সামলাতে হচ্ছে বাসকে। এর ফলে বাসে ব্যাপক ভিড় হচ্ছে। ফলে শারীরিক দূরত্ববিধি কোনো ভাবেই পালন করা যাচ্ছে না। লোকাল ট্রেন চলার ব্যাপারে কিছু সিদ্ধান্ত আপাতত ঘোষিত না হলেও না হলেও সূত্রের খবর শুরুতে পঁচিশ শতাংশ লোকাল ট্রেন চালানো হবে।
মেট্রোর পর এবার লোকাল। পুজোর আগেই চালু হতে পারে লোকাল ট্রেন পরিষেবা। দক্ষিণ-পূর্ব রেলের জিএম আজ এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি আজ জানিয়ে দেন, পুজোর আগেই লোকাল ট্রেন চালুর বিষয়ে ভাবনাচিন্তা চলছে। বৈঠক করার জন্য রাজ্যকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের সাথে বৈঠকের পরেই হবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। তিনি বলেন, “মেট্রো পরিষেবা কেমন হচ্ছে সেটা আমরা দেখতে চাই। পাশাপাশি আগামিদিনে আমরা ডিজিটাল পেমেন্ট দিকে ঝুঁকতে চাইছি। সংক্রমণ এড়াতেই আমরা এটা চাইছি।”


কিন্তু যে স্টেশন গুলিতে লোকজন কম ওঠানামা করেন সেখানে কি হবে? এই বিষয়ে জিএম বলেন, “অলাভজনক ট্রেন বন্ধ করার এখনই কোনও পরিকল্পনা নেই। যেখানে লোক কম, সেইসব স্টেশন আমরা বন্ধ করতে চাই না এখনই। এরকম কোনও সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি।”
সূত্রের খবর, লোকাল ট্রেন চালাতে রাজ্যের গাইড লাইন নিতে বৈঠকে বসবেন রেলকর্তারা। হাওড়া, শিয়ালদহ ডিভিশনে লোকাল ট্রেন কি ভাবে চলবে তা পুরোপুরি নির্ভর করছে রাজ্যের উপর। বৈঠকের পরেই স্বরাষ্ট্র মান্ত্রক থেকে ছাড়পত্র আদায়ের চেষ্টা করবে বোর্ড। লোকাল ট্রেন চললেও প্রত্যেক যাত্রীকে থার্মাল স্ক্যানার পেরিয়ে তবেই স্টেশনে ঢুকতে হবে। নিয়মিত স্টেশন স্যানিটাইজ ছাড়াও ট্রেন চলাচলের নিয়ম বেঁধে দেওয়া হতে পারে। প্রত্যেক স্টেশনে অলটারনেট করে গ্যালপিং ট্রেন চলতে পারে। থাকবে আরপিএফের নিশ্চিদ্র সুরক্ষা বলয়।







