বিধানসভার রেজলিউশন ঘিরে সই ও তারিখের গরমিল নিয়ে তদন্তে নেমে এবার বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ এর বাড়িতেও পৌঁছল CID। এর আগে নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় ও বাহারুল ইসলামকে ঘিরে তদন্তের পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে শুরু হয়েছে জোর চাপানউতোর। বিধানসভার প্রধান সচিবের অভিযোগের ভিত্তিতেই এই তদন্ত এগোচ্ছে বলে সূত্রের খবর।
সূত্রের দাবি, বৃহস্পতিবার CID আধিকারিকরা কুণাল ঘোষের বাড়িতে গেলেও তাঁর সঙ্গে সরাসরি দেখা হয়নি। ওই সময় অন্য একটি কর্মসূচিতে ব্যস্ত ছিলেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক। তদন্তকারী আধিকারিকরা প্রয়োজনীয় নথি বাড়িতে দিয়ে আসেন এবং ফোনেও তাঁর সঙ্গে কথা বলেন বলে জানা গিয়েছে।
তদন্তকারী সূত্রে খবর, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করতে পারেন Kunal Ghosh। সেই বৈঠকেই তিনি পুরো বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করতে পারেন বলে ইঙ্গিত মিলেছে।
এর আগে চৌরঙ্গির বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়-এর বাড়িতে হ্যান্ডরাইটিং এক্সপার্টকে নিয়ে পৌঁছেছিল CID-র দল। প্রায় দেড় ঘণ্টা সেখানে কাটানোর পর তদন্তকারীরা বেরিয়ে যান। একইভাবে ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক Baharul Islam-কেও ঘিরে তদন্ত এগিয়েছে।
তদন্তে এখন মূল ফোকাস সইয়ের পাশাপাশি তারিখের গরমিল। সূত্রের খবর, প্রথম দিন তৃণমূল পরিষদীয় দলের বৈঠকের পর শোভনদেব চট্টোপাধ্য়ায়ে-এর নামের সমর্থনে একটি চিঠি বিধানসভায় জমা পড়ে। পরে বিধানসভা কর্তৃপক্ষ রেজলিউশন চাওয়ায় প্রায় ৭০ জন বিধায়কের সই ও তারিখ-সহ নথি জমা দেওয়া হয়। সেই নথির সই ও তারিখ নিয়েই এখন একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা বাড়ছে। বিরোধীরা পুরো ঘটনাকে ‘গুরুতর অসঙ্গতি’ বলে কটাক্ষ করছে, অন্যদিকে তৃণমূলের একাংশের দাবি, বিষয়টিকে অযথা রাজনৈতিক রং দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তবে তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই বিধানসভার সই-কাণ্ড নতুন মোড় নিচ্ছে।



