নজরবন্দি ব্যুরোঃ আট থেকে আশি প্রায় অধিকাংশ মানুষের কাছেই অত্যন্ত প্রিয় চকলেট। উৎসবে উপহারে কিংবা মনখারাপের সময়ে ও অনেকের সঙ্গী হয়ে থাকে এটি। তবে শুধু মুখের স্বাদে কিংবা মন খুশি করাই নয়। চকলেটের মধ্যে লুকিয়ে আছে আরও অনেক সমাধান। যেকোনও খুশির মুহূর্তে চকলেটের স্বাদ তো নিয়েছেন এতদিন, এবার জানুন চকলেটের অজানা গুন।
আরও পড়ুনঃ কেমন কাটবে আজকের দিন? জানুন আজকের রাশিফল


বর্তমানে শীতকে বিদায় জানিয়ে রাজ্যে ক্রমশ চড়তে শুরু করেছে তাপমাত্রার পারদ। যারফলে গরমের সাথে দেখা দিয়েছে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি। এই সময়ে ঠাণ্ডা-গরমে সর্দি কাশির মতো সমস্যা দেখা দেয় অনেকের। এমনকি জ্বরের কবলেও পড়তে হয় অনেককে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় যথেষ্ট কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে চকলেট।
শুনে অবাক হচ্ছেন? তবে এটাই সত্যি। বর্তমানে কাশির ওষুধের ব্যবহার ছাড়াও প্রতিকার রয়েছে আমাদের হাতের মুঠোয়। এক্ষেত্রে সবার আগে উঠে এসেছে চকলেটের নাম। এই নিয়ে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্ডিওভাসকুলার ও শ্বাসযন্ত্রের গবেষণা প্রধান অধ্যাপক অ্যালিন মরিস বলেন, চকলেট থেকে যে কাশির উপশম সম্ভব তার একাধিক প্রমাণ মিলেছে।
জানুন চকলেটের অজানা গুন, জানুন একনজরে

তাঁর মতে, চকলেটযুক্ত ওষুধ সাধারণ সিরাপের তুলনায় অনেক বেশি আঠালো হওয়ায় এটি সহজেই গলার ভেতরে এক ধরনের আবরণের সৃষ্টি করে শরীরের ভিতরকার নার্ভ কে রক্ষা করে। যারফলে কাশির পরিমান অনেকটাই কমে যায়। সেকারণেই কাশির চিকিত্সায় মধুর চেয়ে কোকোয়া কে বেশি প্রাধান্য দেন মরিস। তাই এক টুকরো চকলেট কে ধীরে ধীরে চেটে খেলে শারিরীক স্বস্তি মেলার উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি কাশির সমস্যা দূরে রাখার জন্য অন্য কোনো উপাদানের সঙ্গে ও চকলেট মিশ্রণের ব্যাবহার কেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।










