অভিনেত্রী তথা রাজনীতিবিদ কঙ্গনা রানাওয়াত বর্তমানে হিমাচল প্রদেশের মান্ডির নব-নির্বাচিত সাংসদ। রাজনীতি ও বিনোদন দুই জগতকে একসঙ্গে সামলানো তাঁর পক্ষে সত্যি একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে, কঙ্গনা তাঁর এই দ্বৈত ভূমিকার ভারসাম্য রক্ষার লড়াই নিয়ে নানা কথা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘একজন সাংসদ হলে তাঁকে অনেকটা দায়িত্ব নিতে হয়, বলা ভালো অনেক মানুষের দায়িত্ব নিতে হয়। তারপর আমি যে লোকসভার সাংসদ সেখানে বন্যা হয়েছে, তাই আমি সব জায়গায় আছি। আমাকে হিমাচল যেতে হবে এবং দেখতে হবে যে সবটা সঠিক ভাবে হচ্ছে কিনা। আমার ছবির কাজ এতে কিছুটা ব্যহত হচ্ছে। আমার অনেক প্রজেক্ট আটকে আছে। আমারা শ্যুটিংও শুরু করতে পারছি না।’
এই সবের মধ্যে এবার তাঁর নতুন ছবি মুক্তি পেতে চলেছে ‘ইমার্জেন্সি’ । আর এই ছবি মুক্তি পাবার আগেই তৈরি হল বিতর্ক। ছবি নিষিদ্ধ করার আবেদন জানিয়েছেন ‘শিরোমনি গুরুদ্বারা প্রবন্ধক কমিটি’-র সভাপতি হরজিন্দর সিংহ ধামি। বুধবারই তিনি ছবিটি নিষিদ্ধ করার ডাক দিয়েছেন। তাঁর দাবি, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে শিখ সম্প্রদায়ের মানুষকে বিচ্ছিন্নতাকামী হিসেবে দেখানো হয়েছে এখানে। এর পিছনে গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।


উপযুক্ত পদক্ষেপের জন্য আবেদন করেছেন কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকে। শিখ সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে এই ‘শিরোমণি গুরুদ্বারা প্রবন্ধক কমিটি’ খুব গুরুত্বপূর্ণ। সারা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা শিখ সম্প্রদায়ের মানুষের কাছেই এটি প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন। এমনিতেই কঙ্গনা শিখ-বিরোধী, পঞ্জাবি-বিরোধী মন্তব্য করে একাধিক বার সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে।
হরজিন্দরের দাবি, সাংসদ অভিনেত্রী প্রায়ই শিখ সম্প্রদায়ের মানুষের মূল্যবোধে আঘাত করে থাকেন। কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করে না সরকার। এই বার কঙ্গনার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করছেন তাঁরা। তাই এবার এ বার কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের কাছে তাঁরা দাবি জানিয়েছেন, যেন ‘ইমার্জেন্সি’ ছবিটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।








