নজরবন্দি ব্যুরোঃ কোভিড পরিস্থিতিতে সমস্ত রকমের কর্মসূচী বন্ধ রাখার প্রয়োজন। নিজের কেন্দ্রের কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকের পর এমনটাই নিদান দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও ব্যক্তিগত মতামত বলেছিলেন তিনি। নানা মহলে আলোচনা শুরু হয়েছিল অভিষেকের বক্তব্য নিয়েও। কিন্তু অভিষেকের দলেরই সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, একথা বলে সরকারের বিরুদ্ধাচারণ করছেন অভিষেক।
আরও পড়ুনঃ হু হু করে বাড়ছে করোনা, লকডাউন এবার জয়নগরে
উল্লেখ্য, উর্ধ্বমুখী করোনার মধ্যে নিজের কেন্দ্রে করোনা নিয়ে সচেতনতা অভিযান গড়ে তোলার পাশাপাশি কোভিড মডেল গড়ে তোলার প্রয়াস তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বুধবার স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন উপলক্ষে ৩০ হাজার করোনা পরীক্ষার কথা ছিল। কিন্তু শেষে সেই সংখ্যা ৫৩ হাজারের গণ্ডি পার করে। এর মধ্যে ১১৫১ জন। এছাড়াও কোভিড রোগীদের সমস্ত চিকিৎসার জন্য বিশেষ প্রয়াস নিয়ে অভিষেক। যা নিয়ে নিয়ে আলোচনা হয়েছে সমস্ত মহলে। নিজের ব্যক্তিগত মন্তব্য পোষণ করে অভিষেক বলেছিলেন কোভিড পরিস্থিতিতে সমস্ত অনুষ্ঠান বন্ধ রাখা প্রয়োজন।
শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদের বক্তব্য, দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদটি সর্বক্ষণের। তাই এই পদে থেকে কারও কোনও মত থাকতে পারে না। অনেক বিষয়ে আমারও ব্যক্তিগত মতামত থাকতে পারে। দলীয় শৃংখলার কারণে বলতে পারি না। এটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের বিরুদ্ধাচারণ করা হচ্ছে। এভাবে রাজ্য সরকারকেই চ্যালেঞ্জ করা হচ্ছে।
শুধুমাত্র এখানেই থেমে থাকেননি বর্ষীয়ান আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আরও বলেন, বর্ষবরণের দিনে ডায়মন্ড ফুটবল প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে হাজারো মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সেখান থেকে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা ছিল না? স্বাভাবিকভাবেই দলের সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে দলেরই সাংসদের এহেন মন্তব্য যেন বিরোধীদের কাজ আরও সোজা করে দিচ্ছে।
সরকারের বিরুদ্ধাচারণ করছেন অভিষেক, সরকারকে চ্যালেঞ্জ করছেন তিনি
ওই মডেল দেখে মুখ্যমন্ত্রীকে অনুপ্রাণিত হওয়ার কথা বলেছেন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য। সকলের পরীক্ষা এবং সকলের জন্য মাস্ক দেওয়ার কথা বলেন তিনি। একই সুরে সুর মিলিয়ে সিপি(আই)এম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, সারা রাজ্যে কিট নিয়ে সমস্যা। এর মধ্যে ডায়মণ্ড হারবারে রেকর্ড টেস্টিং হল কী করে?



