কালীগঞ্জ বিধানসভা উপনির্বাচনে বড় জয় পেল তৃণমূল কংগ্রেস। প্রয়াত বিধায়ক নাসিরুদ্দিন আহমেদের কন্যা আলিফা আহমেদ ৪৯,৭৫৫ ভোটে জয়ী হলেন। বিজেপি রইল দ্বিতীয় স্থানে। ২৩ রাউন্ড গণনার শেষে তৃণমূলের প্রাপ্ত ভোট ১,০২,১৭৯। এই জয় শুধু আবেগ নয়, তৃণমূলের সাংগঠনিক শক্তি এবং মানুষের আস্থার প্রতিফলন বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
কালীগঞ্জ উপনির্বাচন হয় তৃণমূল বিধায়ক নাসিরুদ্দিন আহমেদের মৃত্যুর পরে। ২০২১ সালে তিনিই জয়ী হয়েছিলেন ৪৬,৯৮৭ ভোটে। এবার তাঁর কন্যা আলিফা আহমেদকে প্রার্থী করে আবেগের সঙ্গে সংগঠনের শক্তি জুড়ে দেয় তৃণমূল। এই উপনির্বাচনকে অনেকেই মনে করেছিলেন ২০২৬ সালের বিধানসভার প্রাক-পরীক্ষা।


আনুষ্ঠানিক ভাবে এখনও ঘোষণা করা না হলেও কালীগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে জয়ী হয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী আলিফা আহমেদ। জয় নিশ্চিত হতেই তিনি বলেন, “মানুষকে ধন্যবাদ। মানুষ উন্নয়নের পক্ষে ভোট দিয়েছে। সাম্প্রদায়িক রাজনীতি কালীগঞ্জের মানুষ ছুড়ে ফেলে দিয়েছে। বাংলাতেও এই রাজনীতির কোনও ঠাঁই নেই।” সব ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায়ের ভোট তিনি পেয়েছেন বলে জানান তৃণমূল প্রার্থী।
পিতার জয়কেও ছাপিয়ে গেলেন আলিফা আহমেদ, কি বললেন কালীগঞ্জের নয়া বিধায়ক?

সোমবার সকাল ৮টায় গণনা শুরু হয়। ২৩টি রাউন্ডে ফলাফল এভাবে দাঁড়িয়েছে—
তৃণমূল কংগ্রেস: ১,০২,১৭৯
বিজেপি: ৫২,৪২৪
কংগ্রেস: ২৮,২৬২
নোটা: ২,৫০০
জয়ের ব্যবধান: ৪৯,৭৫৫ ভোট।
২০২১ সালে প্রয়াত বিধায়ক নাসিরুদ্দিন আহমেদ জিতেছিলেন ৪৬,৯৮৭ ভোটে। এবার সেই রেকর্ডও ভেঙে দিলেন তাঁর কন্যা আলিফা।
প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া:
এই জয়ের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “মানুষের এই বিশ্বাস, ভালোবাসা আমাদের শক্তি। কালীগঞ্জের প্রতিটি মানুষকে জানাই শুভেচ্ছা।” রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই জয় শুধুমাত্র আবেগ নয়, সাংগঠনিক স্তরে তৃণমূল যে এখনও অনেকটাই শক্তিশালী, সেটাই প্রমাণ করল। বিজেপির তরফে এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া না এলেও দলের অভ্যন্তরে এই ফল নিয়ে বিশ্লেষণ শুরু হয়েছে।


❓ FAQ Section:
Q1: কে জয়ী হয়েছেন কালীগঞ্জ উপনির্বাচনে?
👉 তৃণমূল প্রার্থী আলিফা আহমেদ ৪৯,৭৫৫ ভোটে জয়ী হয়েছেন।
Q2: দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে কারা ছিলেন?
👉 দ্বিতীয় স্থানে বিজেপি, তৃতীয় স্থানে কংগ্রেস।
Q3: মোট কত রাউন্ডে গণনা হয়?
👉 ২৩ রাউন্ডে গণনা সম্পন্ন হয়।
Q4: ২০২১ সালের জয়ের ব্যবধান কত ছিল?
👉 প্রয়াত নাসিরুদ্দিন আহমেদ ৪৬,৯৮৭ ভোটে জয়ী হয়েছিলেন।
Q5: এই জয় কী বার্তা দেয়?
👉 এটা শাসক দলের সাংগঠনিক ক্ষমতা এবং জনভিত্তির প্রমাণ, যা ২০২৬ সালের নির্বাচনে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।








