নজরবন্দি ব্যুরোঃ গোপন ডেরা বারবার হুঁশিয়ারি দিয়ে এসেছেন কামতাপুরী লিবারেশন অর্গানাইজেশন প্রধান জীবন সিং। বারবার আলাদা করে কামতাপুরের দাবিতে বারবার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের বাড়বাড়ন্তকে বারবার দমন করার চেষ্টা করেছে রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। এবার রাজ্য পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করলেন্ কেএলওর সাধারণ সম্পাদক কৈলাশ কোচ এবং তাঁর স্ত্রী স্বপ্না কোচ।
আরপ পড়ুনঃ Sukanya Mondal: সুকন্যাদের মামলা প্রত্যাহার, আদালতের নির্দেশে খানিকটা স্বস্তি


এদিন ডিজিপি মনোজ মালব্যর কাছে আত্মসমর্পণ করলেন কৈলাশ। অস্ত্র তুলে দেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গ ডিজিপি জানিয়েছেন, এই মুহুর্তে কেএলও সদস্যরা এখন নিয়ন্ত্রণে। সম্প্রতি মাও বাদীদের মতোই কেএলও জঙ্গিদের আত্মসমর্পণ ও পুনর্বাসন নীতি ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। সেই প্যাকেজে বলা হয়েছে, কোন কেএলও জঙ্গি এবং লিঙ্কম্যানেরা যদি আত্মসমর্পণ করেন তাহলে তাঁদের এককালীন পঞ্চাশ হাজার টাকা দেওয়া হবে। এছারাও অস্ত্র-পিছু পৃথক ইনসেন্টিভও দেওয়া হবে।

সূত্রের খবর, স্বাধীনতা দিবসে নাগাল্যান্ড হয়ে জীবন ভারতে ঢুকতে পারেন। সম্প্রতি কয়েকটি মহল থেকে ইঙ্গিত মিলছিল। কিন্তু ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, সম্ভবত জীবন এখনই দেশে আসবেন না। কারণ, তাঁর নামে একাধিক ফৌজদারি মামলা, দেশদ্রোহিতার মামলা রয়েছে। এরপরেই নিরাপত্তা বাড়িয়েছিল রাজ্য পুলিশ।
আত্মসমর্পণ করলেন কৈলাশ, বিরাট পদক্ষেপ

এর আগেও একটি ভিডিও বার্তায় জীবন সিং জানিয়েছিলেন, গত ১০ জুলাই কৈলাশ কোচের স্ত্রী ও দুই সন্তানকেও আটক করা হয়। তাঁদের ওপরেও অকথ্য অত্যাচার চালানো হয়েছে। কৈলাশকে গ্রেফতারের পরেও কেন আদালতে পেশ করা হল না? প্রশ্ন জীবনের। এতে সংবিধানকে মানা হচ্ছে না বলেও অভিযোগ তুলেছেন তিনি। কৈলাশকে অবিলম্বে মুক্তি না দেওয়া হলে কড়া পদক্ষেপের কড়া ঘোষণা করেন তিনি। এরই মধ্যে আজকে কৈলাশে আত্মসমর্পণের ঘটনা রাজ্য পুলিশের বিরাট সাফল্য বলেই মনে করা হচ্ছে।









