নজরবন্দি ব্যুরোঃ মমতা জামানায় হাসপাতালেও আত্মীয়তার বন্ধন, উডবার্ণের বেডে শুয়ে ফেসবুক লাইভে এসে তেমনটাই অল্লেন কবীর। কবীর সুমন। গত দিন কয়েক ধরের শারিরীক অসুস্থতা নিয়ে ভর্তি রয়েছেন SSKM-এ। করোনা উপসর্গ থাক্লেও ইপোর্ট নেগেটিভ আসায় স্বস্তি ছড়িয়েহিল অনুরাগী মহলে। তবু শরীরে একাধিক সমস্যা নিয়ে এখনো সেখানেই তিনি। তার মধ্যেই গাল ভর্তি খোঁচা দাঁড়ি নিয়ে ফেসবুক লাইভে এসে বার্তা দিলেন, দিলেন উঠে আসা একাধিক প্রশ্নের উত্তর।
আরও পড়ুনঃ নিয়ন্ত্রণ কি শুধু বাসেই? অটো ভাড়ার দৌরাত্ব রুখবে কে? চুপ সবাই


করলেন মমতা সরকারের ভূয়সী প্রশংসা। কোথাও গিয়ে মমতা জামানার পরিষেবার ভালো দিক তুলে আনতে গিয়ে তুলনা করলেন বাম জামানার পরিষেবার সঙ্গে। কী ছিল আর কী পেয়ছে বাংলা স্বাস্থ্যে। গায়ে হালকা জ্বর ছিলই, আচমকা শ্বাসকষ্ট শুরু হওয়ায় শনিবারের ভোর রাতে তড়িঘড়ি SSKM এ ভর্তি করা হয় গায়ক সুরকার কবীর সুমনকে, সেই মুহুর্তে সুমনের শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা ছিল ৯০। উডবার্ণের ১০৩ নাম্বার কেবিনে এই মুহূর্তে রয়েছেন তিনি। চিকিৎসা করছেন মেডিসিন বিভাগের প্রধান চিকিৎসক সৌমিত্র ঘোষ। অসুস্থতার খবর পেয়ে নবান্ন থেকে সোজা হাসপাতালে গিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। খোঁজ-খবর নিয়েছিলেন বর্ষিয়ান শিল্পীর।
হাসপাতাল সূত্রের খবর চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন তিনি, কিছু ওষুধ এবং অক্সিজেন চলছে। এই মুহূর্তে অক্সিজেন স্যাচুরেশনের মাত্রা ৯০, বুকের ইনফেকশন কমেছে অনেকটাই। তার মধ্যেই অক্সিজেনের নল গোঁজা অবিস্থাতেই এসেছিলেন লাইভে। চিকিৎসক দিবসে সকল চিকিৎসকদের শুভেছা জানিয়েছেন। যাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রমে তিনি এবং আরও বহু মানুষ রোজ সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরছেন, তাঁদের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে ভূয়সী প্রশংসা করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর।
মমতা জামানায় হাসপাতালেও আত্মীয়তার বন্ধন, একথাই ঘুরে ফিরে উঠে এসেছে তাঁর কথায়। লাইভে এসে তিনি বলেছেন, “৩৪ বছরের বাম আমলের হাসপাতালের পরিষেবা একেবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছিল। কিন্তু সেই পরিষেবা এখন অনেকটাই বদলে গিয়েছে। আসলে আগে পেশাদারিত্বই বেশি প্রাধান্য পেত। কিন্তু কলকাতায় এখন একটা আত্মীয়তা তৈরি হয়েছে। যে ডাক্তার-নার্সরা আমাকে দেখছেন, তাঁরা আত্মীয়ের মতো ব্যবহার করছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সময়েই এটা সম্ভব হয়েছে।” তার সঙ্গেই অনেকেই যখন প্রশ্নতুলছিলেন বারবার শিল্পী, হেভিওয়েট নেতারা অসুস্থতা নিয়ে ভর্তি হচ্ছে SSKM-এ। অথচ সাধারণ মানুষ কোথায় পাবে এই পরিষেবা,তার উত্তরেও কবীরের সাফ যুক্তি, এসব সম্ভব হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর দৌলতে। তিনি প্রত্যেককে সম্মান দেন বলেই সম্মান ফিরে পান।”









