নজরবন্দি ব্যুরোঃ শুক্রবার বাগদার চন্দন মণ্ডলকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। চার দিনের সিবিআই হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আলিপুরের বিশেষ আদালত। উপেন বিশ্বাস বর্ণিত সৎ রঞ্জনকে মামলায় পার্টি করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এদিন রঞ্জনের গ্রেফতারির খবরে মোটেই খুশি নন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারপতি হতাশা প্রকাশ করে বলেন, এত দিন ধরে তদন্ত চলছে। এখন রঞ্জনকে গ্রেফতার করে কিছুই হবে না।


এদিন সিবিআইয়ের তরফে আদালতে বলা হয়, তদন্তে কোনরকম সহযোগীতা করেননি চন্দন মণ্ডল। বরং বারবার অন্য তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন তিনি। অন্যদিকে চন্দন মণ্ডলের আইনজীবীর তরফে বলা হয়েছে, চন্দন মণ্ডল পেশায় একজন শিক্ষক। কোনও এক প্রভাবশালী ব্যক্তি যিনি প্রথমে চন্দন মণ্ডল সম্পর্কে প্রকাশ্যে মন্তব্য করেছিলেন, তিনি চন্দন মণ্ডলকে গ্রেফতার করিয়েছেন।

সিবিআইয়ের তরফে বলা হয়েছে, সঠিকপথে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। চন্দন মণ্ডল সম্পর্কে একাধিক তথ্য তাঁদের হাতে এসেছে। অভিযোগ, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে চাকরি প্রার্থীরা যেতেন চন্দন মণ্ডলের বাড়িতে। তাঁদের সমস্ত তথ্য নিয়ে কোনও এক প্রভাবশালী নেতার কাছে পাঠানো হত। এখন চন্দন সম্পর্কে সেই তথ্য হাতে পেয়েছে সিবিআই। একাধিক অযোগ্যদের চাকরি দিয়েছেন তিনি। সেই অযোগ্যদের চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রেও তাঁর ভূমিকা রয়েছে বলে জানা গেছে।
কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে মামলা চলাকালীন তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন আইনজীবী সুদীপ্ত দাশগুপ্ত। এরপরেই বিচারপতি বলেন, কে, সৎ রঞ্জন গ্রেফতার হয়েছে তো? হ্যাঁ, আমি জানি। আক্ষেপের সুরে বলেন, বলেন, কিন্তু কী হবে? কিছুই হবে না। গত ৭-৮ মাস ধরে তো তদন্ত চলছে। এখন তাঁকে গ্রেফতার করে কী হবে?


এখন রঞ্জনকে গ্রেফতার করে কিছুই হবে না, জানালেন বিচারপতি

এর আগে একাধিকবার সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলতে দেখা যায় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে। এমনকি নিজেই তদন্ত করবেন বলেও জানান বিচারপতি। বরং সিবিআইয়ের অফিসারদের নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এখন একাধিক ব্যক্তিদের গ্রেফতারের পরেও খুশি হলেন না তিনি।







