নজরবন্দি ব্যুরো: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের পড়ুয়ার রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে। র্যাগিংয়ের অভিযোগে সরব সব মহল। এরইমধ্যে জানা যায়, ওই রাতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও হস্টেলের ভিতরে ঢুকতে পারেনি। এই মর্মে যাদবপুরকাণ্ডে দায়ের হল একটি নতুন এফআইআর।
আরও পড়ুন: রেজিস্ট্রারের রিপোর্টে ‘সন্তুষ্ট’, বুধে যাদবপুর ক্যাম্পাসে আসছে না UGC প্রতিনিধি দল


সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বুধবার রাতে যাদবপুর থানায় ফোন করে জানানো হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন পড়ুয়া হস্টেলের তিনতলা থেকে নিচে পড়ে গিয়েছেন। খবর পেয়েই পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছে যায়। কিন্তু মেন হস্টেলের সামনে গিয়ে পুলিশ দেখে যে গেটে তালা মারা। চেষ্টা করেও ভিতরে ঢুকতে পারেনি কেউ। সেইসময়েই একটি হলুদ ট্যাক্সিকে হস্টেলের বাইরে বেরিয়ে আসতে দেখা যায়। পুলিশ দেখেও গাড়িটি থামেনি, বরং গতি বাড়িয়ে চলে যায় বলে খবর। পুলিশ ওই ট্যাক্সির পিছনে ধাওয়া করে হাসপাতালে পৌঁছালে মৃত পড়ুয়ার খবর পান। এনিয়ে ইতিমধ্যেই নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

কেন পুলিশকে হস্টেলে ঢুকতে দেওয়া হল না? কে থানায় ফোন করেছিল? পুলিশকে ফোন করা হলেও হস্টেলের গেটের তালা কেন খোলা হল না? প্রমাণ লোপাটই কি উদ্দেশ্য ছিল? নতুন করে এফআইআর দায়ের করে পুলিশ এই প্রশ্নগুলির উত্তর খুঁজবে। প্রথম বর্ষের পড়ুয়ার রহস্যমৃত্যুর তদন্তে নেমে এখনও পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী এবং বাকি দু’জন দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। আগামী ২২ আগস্ট পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।



যাদবপুরকাণ্ডে কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট তলব করেছিল ইউজিসি (University Grants Commission)। সোমবার বৈঠকের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে সেই রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়। আগামী বুধবার রাজ্যে অ্যান্টি র্যাগিং টিম পাঠানোর কথা ছিল ইউজিসির। তবে একটি প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসু জানিয়েছেন, বুধবার সেই প্রতিনিধি দল আসছে না। আপাতত রেজিস্ট্রার ঘটনার যে রিপোর্ট ইউজিসি-কে পাঠিয়েছেন, তাতে তাঁরা নাকি ‘সন্তুষ্ট’।
ঘটনার রাতে পুলিশ হস্টেলে ঢুকতে পারেনি, যাদবপুরকাণ্ডে দায়ের নতুন FIR








