নজরবন্দি ব্যুরোঃ একাধিক বাড়িতে ফাটল দেখা দেওয়ার পর এখন জোশীমঠের সেনা ক্যাম্পেও ফাটল দেখা দিয়েছে। যার ফলে এখন থেকে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। যে সমস্ত বাড়িতে ফাটল দেখা দিয়েছে, সমস্ত বাড়ি ভেঙে ফেলার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। স্থানীয়দের বক্তব্য, বিপদ বাড়ছিল আগে থেকেই, এই ঘটনার আন্দাজ আগেই করতে পেরেছিলেন স্থানীয়রা। এবিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামিকেও চিঠি দেওয়া হয়েছে।



স্থানীয়দের বক্তব্য, জোশীমঠ থেকে এক কিলোমিটার দূরে যে জায়গায় এনটিপিসির সূড়ঙ্গের কাজ চলছিল, সেখানে একাধিক বিস্ফোরণের ঘটনার প্রভাব আগামী দিনে পড়তে চলেছে। একথা গত মাসেই তিনবার মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন তাঁরা। তখন থেকেই ফাটল দেখা দিতে শুরু করেছিল। তখনই আতঙ্ক দেখা দিয়েছিল স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর তরফে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
স্থানীয় সূত্রে খবর, তিনটি চিঠিতেই ফাটল চওড়া হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা নিক সরকার। এখন একাধিক বাড়িতে ফাটল দেখা দেওয়ার পর এবং একটি মন্দির ভেঙে পড়ার পরেই ৬০০ টি পরিবারকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।



কিন্তু পরিস্থিতি এখন হাতের বাইরে। গাড়োয়াল হিমালয়ের বুকে পাহাড় কেটে তৈরি এই শহর ধীরে ধীরে ডুবে যাচ্ছে। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় এলাকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ব্যবস্থা করা হয়েছে হেলিকপ্টারের। শহরের নিরাপদ স্থানে ত্রান শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। যে কোনও মুহুর্তে গোটা শহর ধসে যেতে পারে। সেজন্য প্রহর গুনছেন স্থানীয়রা।
বিপদ বাড়ছিল আগে থেকেই, জানিয়েছিলেন স্থানীয়রা

বিশেষজ্ঞ দলের পরামর্শ, যে সমস্ত বাড়িগুলিতে ফাটল দেখা দিয়েছে, সেগুলি এখনই ভেঙে ফেলা উচিত। এমনকি যে সমস্ত এলাকাগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেগুলি চিহ্নিত করে অবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। প্রায় ২৫ হাজার জন মানুষকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এরপরেই শুরু হবে বাড়িগুলি ভেঙে ফেলার কাজ।







