সংসদে ধুতি-পাঞ্জাবি পরে হাজির জহর, বাংলাতেই শপথ নিলেন সরকার মশায়

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ সংসদে ধুতি-পাঞ্জাবি পরে হাজির জহর সরকার। প্রাক্তন আমলা, প্রসার ভারতীর প্রাক্তন সিইও সব পেরিয়ে আজ থেকে শুরু করলেন নতুন অধ্যায়। আজ থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভার সাংসদ তিনি। তারই শপথ গ্রহোন কালে একাবারে খাঁটি বাঙালিয়ানা নিয়ে হাজির হলেন পার্লামেন্টে।

আরও পড়ুনঃ বন্যায় দুয়ারে মমতা, হাঁটুজলে দাঁড়িয়ে কথা বললেন দুর্গতদের সঙ্গে

নিজের শপথ বাক্যও বাংলাতেই পড়লেন সরকার মশায়। মুকুল-যশবন্তের মতো তাবড় তাবড় নামের জল্পনা পেরিয়ে দীনেশ ত্রিবেদির ছেড়ে যাওয়া যায়গায় গেলেন মমতার সারপ্রাইজ পার্সন। বহুদিনের সঙ্গী দীনেশ ত্রিবেদিও ভোটের আগে হাত ছেড়েছেন মমতার। দম বন্ধ হয়ে আসায় খানিক হাওয়ার খোঁজে যোগ দিয়েছেন পদ্মবনে।

তবে থেকেই খালি ছিল এই আসন। কমিশন বকেয়া ভোটের ডেট দিতেই শুরু হয়েছিল নাম নিয়ে জল্পনা। সেসবের মাজগেই একদিন তৃণমূল কংগ্রসের অফিসিয়াল পেজ থেকে জানানো হয়েছিল মমতার মাস্টারস্ট্রোকের কথা।

সংসদে ধুতি-পাঞ্জাবি আর বাংলায় শপথ, একটুকরো বাংলাকেই তুলে ধরেছিলেন জহর। 

সংসদে ধুতি-পাঞ্জাবি পরে হাজির জহর, বাংলাতেই শপথ নিলেন সরকার মশায়
সংসদে ধুতি-পাঞ্জাবি পরে হাজির জহর, বাংলাতেই শপথ নিলেন সরকার মশায়

জহর সরকার সেভাবে খুব একটা মমতা ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত না হলেও বরাবর মোদবিরোধীতার পরিচিত মুখ। মাস খানেক আগেই আলাপন ইস্যিতে সুর চড়িয়েছিলেন কেন্দ্রের বিরুদ্ধে। এবার থেকে আরও ব্যাপক স্তরে মোদি সরকার আর কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আওয়াজ ওঠানোর সুযোগ পেতেই আর না করেননি।

জিতেছেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। অনেকেই ভেবেছিলেন গেরুয়া শিবির বিনা ভোটে ছাড়বেনা এই আওস্ন। তবে মনোনয়নের শেষ দিনেই শুভেন্দু অধিকারি জানিয়েছিলেন ফলাফল সবার জানা, তাই প্রার্থী দিচ্ছেন না তাঁরা। তার পরেই নাম প্রত্যাহারের সময় পেরতেই জয়ী ঘোষণা করা হয় জহর সরকারকে।

সংসদে ধুতি-পাঞ্জাবি পরে হাজির জহর, বাংলাতেই শপথ নিলেন সরকার মশায়
সংসদে ধুতি-পাঞ্জাবি পরে হাজির জহর, বাংলাতেই শপথ নিলেন সরকার মশায়

সেদিনই পাড়ি দিয়েছিলেন দিল্লির পথে। আজ সংসদে ধুতি-পাঞ্জাবি পরে একেবারে বাঙালি বেশে হাজির জহর সরকার। ঝরঝরে বাংলায় শপথ বাক্য পাঠ করলেন। টেবিল বাজিয়ে তাঁকে স্বাগত জানান সতীর্থ সাংসদরা। এর আগেও মিমি চক্রবর্তী, নুসরাত জাহানও বাংলায় শপথ বাক্য পাঠ করেছিলেন। ওয়াকিবহাল মহলেও মতে জহরের মাধ্যমেই সংসদে এবং কেন্দ্রে বাঙালি ধারা বজায়ের নয়া ইঙ্গিত দিলেন মমতা।

 

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত