কোটা বিরোধী আন্দোলনকে ঘিরে যখন উত্তাল বাংলাদেশ এবং প্রাণ হারায় শয়ে শয়ে মানুষ। ঠিক তখনই বাংলাদেশে করা হয় জামাত-ই-ইসলামি-কে। এরপর ১ অগাস্ট সরকারি ভাবে জামাত কে নিষিদ্ধ করে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। কিন্তু হাসিনা ও তাঁর দল আওয়ামী লীগের জামানা শেষ হতেই। দীর্ঘ ১৩ বছর পর দেশে অফিস খুলল জামাত। সেখানেই সাংবাদিক বৈঠক করেন জামাত নেতা আমির শফিকুর রহমান। তাঁর আগে মঙ্গলবারই মামুনুল হক ও সংগঠনের অন্যান্য নেতারা ওই অফিস পরিদর্শন করেন।
২০১১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর টালা পড়েছিল এই অফিসে। হাসিনা সরকারের পতনের পরেই ফের দরজা খুলল জামাতের এই অফিসের। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে জামাত নেতা আমির শফিকুর বলেন, তাঁদের কার্যালয়ের বহু নথি নষ্ট হয়ে গেছে। এমনকি ভাঙচুরও করা হয়েছে অফিসে। আর তারপর থেকেই জামাতের নেতারা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধ্বে এই সব অপরাধের দমন করার আহ্বান জানান।


এদিন বৈঠকের পর জামাত নেতারা রব তোলে দেশ থেকে এই সমস্ত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দূর করে দেশকে রক্ষা করার। আর তাই নতুন প্রশাসনিক ব্যবস্থা গঠন করে তার পাশে থাকার ইঙ্গিত দেয় জামাত। এছাড়াও সারা বাংলাদেশ জুড়ে ঘটে চলা সরাকারি প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর করে অগ্নিসংযোগ ঘটানো এবং প্রতিদ্বন্দ্বীদের বাড়ি ভাঙচুর ও তাঁদের মারধরের ঘটনাকে সমর্থন করে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেয় জামাত নেতা। এমনকি দেশের সংখ্যালঘুদের মারধর ও তাঁদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ভাঙচুরের ঘটনাও নিন্দা জনক বলেই জানায় জামাত নেতা আমির শফিকুর রহমান।









