নিজস্ব প্রতিনিধি, মাদারিহাটঃ রাজনৈতিক প্রতিহিংসা কোনও যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় থাকা উচিত নয়, এটি গণতন্ত্রের জন্য নক্কারজনক ঘটনা। নির্বাচন ও নির্বাচন পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার মনোবল বৃদ্ধি করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গ সফরে বিস্ফোরক মন্তব্য রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের।
আরও পড়ুনঃ পোগাসাস কেনার প্রস্তাব আমার কাছেও এসেছিল, বিধানসভায় কীসের ইঙ্গিত দিলেন মমতা?
বুধবার আট দিনের উত্তরবঙ্গ সফরে এসে বাগডোগরা বিমানবন্দরে নেমে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এই কথা বলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়।রাজ্যে আনীস খান খুন ও দু’জন কাউন্সিলরের খুন হয়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যকে আক্রমণ শানান তিনি।বুধবার সকাল দশটায় বাগডোগরা বিমানবন্দরে কলকাতা থেকে এসে নামার পর সেখানে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার পর তিনি মাদারিহাটের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে যান।
দুপুরে ১ টা নাগাদ তিনি দুদিনের জলদাপাড়ার হলং বাংলোতে থাকবার জন্য এসে পৌঁছান।জলদাপাড়ার হলং বন বাংলোর গেট দিয়ে জলদাপাড়ায় প্রবেশ করেন তিনি । জানা গিয়েছে, রাজ্যপাল এখানে দু’দিন থাকবেন। এরপর ১৮ মার্চ কালিম্পং যাওয়ার কথা রয়েছে তার । রাজ্যপাল আসায় গোটা জঙ্গল নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে প্রশাসনের তরফে।

অন্যদিকে, এদিন বাগডোগরা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, সবার রি-একশনের মত আমি মনে করি কাশ্মীর ফাইল সিনেমা সকলের দেখা উচিত। সেই সময়ে আমি কাউন্সিলর অফ মিনিস্টার এবং লোকসভার সাংসদ ছিলাম এবং কাশ্মীরে গিয়েছিলাম। সত্যি সামনে এসেছে এবং সেটি রিপোর্ট করা হয়েছে। আমাদের বুঝতে হবে কাশ্মীরের বর্তমান পরিস্থিতির পরিবর্তন এসেছে। ৩৭০ আইনের পরিবর্তন করার পর কাশ্মীরের উন্নয়ন হয়েছে এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হয়েছে।
রাজনৈতিক প্রতিহিংসা কোনও যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় থাকা উচিত নয়, দাবী রাজ্যপালের

এরপরেই রাজ্যপালের বক্তব্য, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় থাকা উচিত নয়। এটি গণতন্ত্রের জন্য নক্কারজনক ঘটনা। নির্বাচন ও নির্বাচন পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসাকে মনোবল বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোকে নিশ্চিত করতে হবে দুই কাউন্সিলরের মৃত্যু ও আনিস খানের মৃত্যু ঘটনা নিয়ে। আমি কলকাতা যাওয়ার পর রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে ডিজিপি ও এডিজির সঙ্গে আলোচনা করেছি। পাঁচ রাজ্যে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে। রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসা ও খুন বন্ধ হোক এটাই চাই।



