নজরবন্দি ব্যুরো: গৃহবধূকে আটকে রেখে দিনের পর দিন ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠল! আর এই ঘটনার অভিযোগ উঠল ভাঙড়ের এক আইএসএফ নেতার বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় ওই অভিযুক্ত ভাঙড়ের আইএসএফ নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। যদিও এই অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে মিথ্যে ও ভিত্তিহীন বলেই দাবি করেছে আইএসএফ!
আরও পড়ুন: Nawshad Siddique: ‘ওরা কথায় কথায় ভিন রাজ্য দেখায়’, কালিয়াগঞ্জকাণ্ডে তৃণমূলকে তোপ নওশাদের



সূত্রের খবর, এক বধূর সঙ্গে বন্ধুত্ব করে ভাঙড়ের ওই নেতা। এরপর বন্ধুত্বের টোপ দিয়ে ওই গৃহবধূকে অন্যত্র নিয়ে গিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠল দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ের এক আইএসএফ নেতার বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের হয়েছে কাশীপুর থানায়। থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরেই অভিযুক্ত নেতাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এপ্রসঙ্গে বারুইপুর পুলিশ জেলার অতিরিক্ত সুপার বলেন, “ওই নির্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ। পাশাপাশি অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে।”

পুলিশ সূত্রের খবর, ওই অভিযুক্ত ভাঙড়ের আইএসএফ নেতা পেশায় টোটোচালক এবং আইএসএফের বুথ সভাপতি। ওই নেতার স্ত্রী-সন্তান রয়েছে। অভিযোগ, অভিযুক্ত নেতা তাঁর টোটো নিয়ে ওই বধূকে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে নিয়ে যেতেন। বেশ কয়েকদিন আগেই জামা কেনার নাম করে ওই বধূকে রাজারহাট নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে গিয়ে সেখানে তাঁকে আটকে ৩-৪ দিন ধরে আটকে রেখে লাগাতার ধর্ষণ করেন তিনি।


গৃহবধূকে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ, তৃণমূল চক্রান্ত করে ফাঁসিয়েছে

আরও অভিযোগ, এই পুরো ঘটনাটি ভিডিও করে রেখে ওই গৃহবধূকে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেন অভিযুক্ত। এছাড়াও ওই গৃহবধূর সমস্ত গহনা বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে। যদিও এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে আইএসএফ। তাঁদের দাবি, তৃণমূল চক্রান্ত করে তাদের নেতাকে ফাঁসিয়েছে। জমি কমিটি এবং তৃণমূল যৌথ ভাবে আইএসএফ নেতাকে ফাঁসিয়েছে। তৃণমূল ভয় পেয়েই এই সব কাজ করছে।”







