নজরবন্দি ব্যুরোঃ কয়েক ঘন্টাতেই ঘুরে গেল চিত্রপট। আজ সকাল থেকে সংবাদ শিরনামে ছিল আফগানিস্থানের ভারতীয় দূতাবাসে লুঠপাঠ চালিয়েছে তালিবানিরা। খোয়া গিয়েছে গুরুত্বপূর্ণ নথি। তবে এবার সেই অভিযোগ খারিজ করে দিল কাবুলে থাকা ভারতীয় দূতাবাস।
আরও পড়ুনঃ হিংস্রতা দিয়ে স্থাপিত শাসন বেশিদিনের নয়, তালিবরাজ নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন নমো
দিন কয়েক হল কাবুল দখল করেছে তালিবানরা। কাবুলে উড়ছে তালিবদের পতাকা। কাবুল দখলের পর থেকে শহরের প্রায় প্রতি দরজায় হানা দিয়ে তল্লাশি চালিয়েছে তালিবান। খোঁজ করা হচ্ছে বিভিন্ন কর্মীদের, যাঁরা আফগানিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে কাজ করেছেন। এই জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থায় আফগান সরকারের এক শক্তিশালী গোয়েন্দা বিভাগ রয়েছে। তালিবান সেই বিভাগের গুপ্তচরদেরই সন্ধান চালাচ্ছে।
কাবুল ছাড়াও কন্দহর, হেরাট ও মাজার-ই-শরিফে ভারতের দূতাবাসগুলি রয়েছে। তালিবান ক্ষমতা দখল করার আগে থেকেই অশান্তির আঁচ পেয়ে এই দূতাবাসগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। তালিবান ক্ষমতা দখল করার পর মঙ্গলবার কাবুল থেকে ১৭০ জনকে উদ্ধার করে ভারত।
কয়েক ঘন্টাতেই লুঠপাঠের কথা অস্বীকার করল ভারতীয় দূতাবাস।

পাশাপাশি উদ্ধার করা হয় ভারতের রাষ্ট্রদূত, দূতাবাসের কর্মী ও সেই সব ভারতীয়দের, যাঁরা আফগানিস্তানের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিলেন। উদ্ধার করা হয় ভারতীয় সাংবাদিকদেরও। তার পরেই সামনে এসেছিল ভারতের দূতাবাস লুঠপাঠের খবর। তবে কয়েক ঘন্টাতেই সেই কথা অস্বীকার করেছে কাবুলে থাকা ভারতীয় দূতাবাস। এর আগেই তালিবানের তরফে জানানো হয়েছিল তারা সকল যোদ্ধাদের সমস্ত দূতাবাসের থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।

এদিকে তালিবারজ সম্পর্কে ভারতের অবস্থানের দিকে তাকিয়ে ছিল সকলে। আজ প্রথম বার আফগান-তালিবান সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ট্যুইট করে জানিয়েছেন, ‘হিংস্রতা দিয়ে স্থাপিত শাসন কখনও বেশিদিন টেকে না। সন্ত্রাস আর আতঙ্ক দিয়ে যে জিনিসের শুরু হয়, তার স্থায়িত্ব অনেক কম।’ আজ নমোর ট্যুইটের পরে সব মহলই মনে করছে এই ট্যুইটের মাধ্যমেই তালিব রাজ নিয়ে দিল্লির অবস্থান স্পষ্ট করেছেন মোদি।



