সীমান্তে যুদ্ধের আবহেই চিনা ব্যাংক থেকে ৯ হাজার কোটি লোন নিয়েছে ভারত!

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরো: সীমান্তে যুদ্ধের আবহেই চিনা ব্যাংক থেকে ৯ হাজার কোটি লোন নিয়েছে ভারত! ভারতীয় জওয়ানদের ভারত-চীন সীমান্তে সাড়ে চার দশক পর ফের রক্ত ঝরছে। কুড়ি জন ভারতীয় জোয়ান শহীদ হয়েছেন। দুই দেশের সেনার মধ্যে একাধিকবার সংঘর্ষ হয়েছে। কিন্তু, এখনো কেন্দ্র চীনের সঙ্গে ছিন্ন করে নি কূটনৈতিক তথা আর্থিক সম্পর্ক। বরং যুদ্ধ পরিস্থিতিতেও চীনে অবস্থিত এশিয়ান ইনফ্রস্টাককার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক থেকে ভারত সরকার মোটা অঙ্কের ঋণ নিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ ভ্যাকসিনে গলদ নেই। ৩০ হাজার সেচ্ছাসেবক সুস্থ রয়েছেন। জানাল অক্সফোর্ড

একথা গতকাল সংসদে স্বীকার করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থ প্রতিমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর।সংসদে ২ বিজেপি সংসদ এর প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে অনুরাগ ঠাকুর বলেন, “ভারত সরকার পরিকাঠামো খাতে উন্নয়নের জন্য চিনে অবস্থিত AIIB’র সঙ্গে মোট দুটি ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। প্রায় ৩ হাজার ৬৭৬ কোটি টাকার প্রথম চুক্তিটি সই করা হয় গত ৮ মে। যেটা কিনা করোনা মোকাবিলায় এবং চিকিৎসাখাতে ব্যয় করা হয়েছে।”

সীমান্তে যুদ্ধের আবহেই চিনা ব্যাংক থেকে ৯ হাজার কোটি লোন নিয়েছে ভারত। অনুরাগ জানান, ১৯ শে জুন দ্বিতীয় ঋণ চুক্তি সই করা হয়েছে। সেই চুক্তিটি প্রায় ৫ হাজার ৫১৪ কোটি টাকার। অর্থাৎ ভারত সরকার দ্বিতীয় ঋণ টি ১৫ ই জুন ভারত চীন সীমান্তের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর নিয়েছে। বিরোধীরা মনে করছেন, চিনা ব্যাংকটি থেকে ভারত সরকার আর্থিক সুবিধা পেয়েছে বলেই চীনের বিরুদ্ধে নরম। যদিও কেন্দ্রীয় সরকারের বক্তব্য, আন্তর্জাতিক সংস্থা এশিয়ান ইনফ্রস্টাককার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক।

মূলত এশিয়া প্যাসিফিক এলাকায় বিভিন্ন দেশের সামাজিক এবং আর্থিক পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ করে এই ব্যাংকটি। এই ব্যাংকটির স্থায়ী সদস্য ৭৮ টি দেশ এবং আরো ২৪ টি অস্থায়ী সদস্য দেশ আছে। এই ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ভারত। কিন্তু ব্যাংকের সদর দপ্তর অবস্থিত বেজিংয়ে। সেই কারণে এই ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণক্ষমতা মূলত চীনের হাতেই। AIIB ব্যাংকটি চীনের মালিকাধীন নয় কিন্তু ব্যাংকটির সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নির্ভর করে চীনের উপরই। আর বর্তমানে সীমান্তে যুদ্ধ কালীন পরিস্থিতি তেও তথাকথিত এই চিনা ব্যাংকটি থেকেই কেন্দ্র ৯ হাজার কোটি টাকার ঋণ নিয়ে ফেলেছে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত